Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ (Abhishek Banerjee) নিবিড় সংশোধন বা SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়া শুরু হতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়ছে। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ঘোষণা করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে। এই ঘোষণার পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ শানান কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
প্রথম দায়…(Abhishek Banerjee)
কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “যদি এই ভোটার তালিকা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে প্রথম দায় কেন্দ্রীয় সরকারের। সেই ভোটার তালিকার ওপর ভিত্তি করেই তো ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা, সবাই নির্বাচিত হয়েছেন এই তালিকার ভিত্তিতে। তাহলে আগে লোকসভা ভেঙে দিয়ে নতুন ভোট করুন, তারপর নতুন তালিকা তৈরি করুন।”
কেন্দ্রের উদ্দেশ্য (Abhishek Banerjee)
অভিষেকের (Abhishek Banerjee) বক্তব্যে স্পষ্ট অভিযোগ-কেন্দ্রের উদ্দেশ্য প্রকৃতপক্ষে ভোটার তালিকা সংশোধন নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে ভোটারদের নিয়ন্ত্রণ করা। তাঁর কথায়, “আগে মানুষ সরকার বেছে নিত ভোট দিয়ে, এখন সরকারই ঠিক করছে কে ভোট দেবে আর কার নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে।”

কী এই SIR প্রক্রিয়া?
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন। এটি একটি নিয়মিত পর্যালোচনা, যেখানে পুরনো ভোটারদের তথ্য যাচাই করা এবং নতুন ভোটারদের নাম সংযোজন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে শেষবার SIR হয়েছিল ২০০২ সালে। তাই এবারের সংশোধনের ভিত্তি সেই বছরের ভোটার তালিকা।
তথ্য ‘ম্যাচিং’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই
যাঁদের নাম বা তাঁদের মা-বাবার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের আর কোনও নথি জমা দিতে হবে না। শুধু কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেদের তথ্য ‘ম্যাচিং’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই করতে হবে। অন্যদিকে, যাঁদের নাম বা পরিবারের নাম ওই তালিকায় নেই, তাঁদের ভোটার তালিকায় নাম তুলতে দিতে হবে নির্দিষ্ট নথি-যেমন শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, বাসস্থানের প্রমাণপত্র, পাসপোর্ট, বা সরকারি পরিচয়পত্র।
আরও পড়ুন: SIR: পশ্চিমবঙ্গে SIR-এর কবে কী?
রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করছে রাজনৈতিক স্বার্থে। দলের একাংশের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে কিছু অংশ বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য স্পষ্ট-এটি নিয়মিত প্রক্রিয়া, যাতে ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করা যায়।


