Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আবারও দুর্যোগের মুখে (Cyclone Mantha) উপকূলীয় অন্ধ্র প্রদেশ। শক্তি সঞ্চয় করে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা, যার মূল আঘাত আসবে মঙ্গলবার সন্ধের পরেই। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আজ সন্ধেবেলা অন্ধ্রের কাকিনাড়া উপকূলে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। সেই সময় ঝড়ের গতি ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা।
মন্থার প্রভাব পড়তে চলেছে বাংলাতেও (Cyclone Mantha)
তবে শুধুমাত্র অন্ধ্র নয়, মন্থার প্রভাব পড়তে (Cyclone Mantha) চলেছে বাংলাতেও। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় আগামী কয়েক দিনে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, যদিও ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ দিক দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করছে, তবুও এর অবশিষ্ট অংশ ছত্তিসগঢ় ও বিহার হয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে অগ্রসর হবে। সেই কারণেই ৩০ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি নামার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Cyclone Mantha)
আবহাওয়া দফতরের মতে, বুধবার থেকেই জলপাইগুড়ি ও মালদহে (Cyclone Mantha) ছিটেফোঁটা বৃষ্টি শুরু হবে। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার বৃষ্টির মাত্রা আরও বাড়বে। ৩০ তারিখ থেকে দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ৩১ অক্টোবর বৃষ্টির তীব্রতা সর্বাধিক হবে, এরপর ধীরে ধীরে উন্নতি হবে আবহাওয়ার। ২ নভেম্বর থেকে উত্তরবঙ্গে আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দক্ষিণবঙ্গেও প্রভাব
ঘূর্ণিঝড় মন্থার সরাসরি ল্যান্ডফল অন্ধ্রে হলেও তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বাদ যাচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গও। আজ উপকূলের দুই জেলা-পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই বৃষ্টি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এরপর ক্রমশ পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান ও পূর্ব বর্ধমানে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে ৩০ অক্টোবর নাগাদ। ৩১ অক্টোবর বীরভূম ও মুর্শিদাবাদেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তবে ১ নভেম্বর থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কমে যাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: SIR ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ অভিষেকের, কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তুলল তৃণমূল!
কলকাতার আকাশেও মন্থার ছোঁয়া
কলকাতায় তেমন ভয়াবহ বৃষ্টি না হলেও, আকাশ মেঘলা থাকবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। বুধবার ও বৃহস্পতিবার শহরে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবারের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমে গিয়ে আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, মন্থা একটি মধ্যম মানের ঘূর্ণিঝড়, তবে তার পথ এবং বিস্তৃত প্রভাবের কারণে দেশের পূর্বাঞ্চল জুড়ে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে। তাই অন্ধ্র থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ- দুই দিকেই এই ঝড়ের ছায়া থাকবে।


