Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মহারাষ্ট্রের সমরুদ্ধি হাইওয়েতে নতুন আতঙ্ক ফের চলন্ত বাসে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড (Maharashtra)। রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশের পর এবার ঘটনাস্থল মহারাষ্ট্র। ফের হাইওয়েতে যাত্রীবাহী বিলাসবহুল বাসে দাউদাউ আগুন। তবে সৌভাগ্যবশত, প্রাণহানির কোনও ঘটনা ঘটেনি। চালকের তৎপরতাতেই রক্ষা পান বাসের সমস্ত যাত্রী।

ঘটনাস্থল সমরুদ্ধি হাইওয়ে (Maharashtra)
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের সমরুদ্ধি হাইওয়েতে। পুলিশ জানিয়েছে, মুম্বই থেকে ঝালনা যাওয়ার পথে একটি বেসরকারি বিলাসবহুল বাসে হঠাৎ আগুন লাগে। বাসটিতে ছিলেন ১২ জন যাত্রী, চালক ও সহকারী বাদে।
চালকের বুদ্ধিতে রক্ষা (Maharashtra)
বুধবার ভোররাত প্রায় তিনটে নাগাদ নাগপুর লেনের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। চালক হুসেন সায়েদ প্রথমে আগুনের আঁচ পান এবং সঙ্গে সঙ্গে বাস থামিয়ে দেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সকল যাত্রীকে নামিয়ে দেন তিনি। এই দ্রুত সিদ্ধান্তই বাঁচিয়ে দিল ১২ জন যাত্রীর প্রাণ।
মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় বাস (Maharashtra)
চালক যাত্রীদের নামানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাসে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গাড়িটি। খবর পেয়ে দমকল, পুলিশ, হাইওয়ে পেট্রোল ও টোল প্লাজার কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে যায় বাসটি।
কীভাবে আগুন লাগল, এখনও রহস্য (Maharashtra)
সূত্রের খবর পুলিশ জানিয়েছে, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ইঞ্জিনের তার বা ব্যাটারির শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডের কারণে কিছু সময়ের জন্য নাগপুর লেনে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল, পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
সম্প্রতি বাড়ছে বাস অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা (Maharashtra)
এই ঘটনাটি একা নয়। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশে ও রাজস্থানে এমনই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরুগামী প্রাইভেট স্লিপার বাসে আগুন লেগে মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের, যার মধ্যে ১৯ জন যাত্রী ও এক মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন।
আরও পড়ুন: Ind vs Aus: ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ কখন ও কীভাবে দেখবেন?
অন্ধ্রপ্রদেশে আগুনের কারণ!
অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর একটি মোটরবাইকের পেট্রোল ট্যাংক বিস্ফোরিত হয়, সেখান থেকেই আগুন ছড়ায়। পরে বাসের দুটি ১২ কেভি ব্যাটারি ও ২৩৪টি স্মার্টফোনের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি আগুনের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়।



