Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার রাতটি ছিল এক ঐতিহাসিক (Amanjot Kaur) রাত। মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের অসাধারণ পারফরম্যান্সে দক্ষিণ আফ্রিকা পরাজিত হয়ে ভারত বিশ্বজয় অর্জন করল। সেই রাতের অন্যতম নায়িকা ছিলেন ২৫ বছর বয়সী ব্যাটিং অলরাউন্ডার আমনজ্যোৎ কৌর, যিনি নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ১৪০ কোটি মানুষকে উচ্ছ্বাসে ভাসিয়েছিলেন। কিন্তু এই বিজয়ের পেছনে ছিল এক হৃদয়স্পর্শী পারিবারিক কাহিনী।
দলের জয়ের পথে পথপ্রদর্শক (Amanjot Kaur)
ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমনজ্যোৎ কৌরের প্রতিভা দেখা যায় (Amanjot Kaur) একেবারে স্পষ্টভাবে। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্ট শতরান করলেও, তৃতীয়বারের চেষ্টায় আমনজ্যোৎ তার ক্যাচ নেন। একাই দলের জয়ের পথে পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেন। তিনি ম্যাচ জেতার সময় জানতেন না যে তাঁর ঠাকুমা ভগবন্তী কৌর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। পারিবারিক উদ্বেগের খবর কারও পক্ষেই খোলসা করা হয়নি, যাতে তার মানসিক চাপ ক্রিকেটে প্রভাব ফেলে না।
অসাধারণ পারফরম্যান্স (Amanjot Kaur)
আমনজ্যোৎ কৌর বিশ্বকাপে ১৪৬ রান করেন এবং ৬ (Amanjot Kaur) উইকেট নেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের পেছনে ছিল তীব্র ইচ্ছাশক্তি ও দলগত মনোবল, যা তাঁকে বিশ্বজয় এনে দেয়। খেলোয়াড় হিসেবে যেমন তিনি সততার সঙ্গে নিজের কৌশল চালান, পারিবারিক দায়বদ্ধতাও তার জীবনের অপরিহার্য অংশ। ছোটবেলা থেকে ঠাকুমা তাঁর সবচেয়ে বড় সমর্থক। বাবা ভূপিন্দর সিংহ জানিয়েছেন, “আমনজ্যোৎ মোহালির ফেজ ফাইভ পার্কে বাড়ির ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলত। ঠাকুমা সর্বদা তার পাশে থাকতেন, তার সঙ্গে সময় কাটাতেন। মা-ই তার শক্তি, তার সঙ্গী।”

আরও পড়ুন: Wet Book Fair: ক্ষতিগ্রস্ত প্রকাশকদের পাশে বইপ্রেমীরা, এগিয়ে পাঠকমহল
ফাইনালের পরেই আমনজ্যোৎ জানতে পারেন ঠাকুমার অসুস্থতার কথা। তিনি ইতোমধ্যেই বলছেন, যত দ্রুত সম্ভব মোহালিতে ফিরে যাবেন এবং ঠাকুমার কাছে থাকবেন। আমনজ্যোৎ কৌরের এই বিশ্বকাপ জয় শুধু দেশের জন্য নয়, তার পরিবার এবং বিশেষ করে ঠাকুমার জন্যও এক প্রেরণার উৎস। তিনি বলেছেন, “আমরা ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে বিশ্বের সর্বত্র আধিপত্য বিস্তার করতে চাই। আমার পরিবার, কোচ এবং দলের সকলের অবদান এই জয়ের পেছনে রয়েছে।”


