Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আগ্রার ঐতিহাসিক তাজমহলকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট(Taj Mahal Temple)। তাজমহলের ভিতরে ‘তেজো মহালয়’ নামে একটি প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব রয়েছে এই দাবিকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় আদালত কেন্দ্র সরকার, প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বিভাগ (এএসআই) এবং অন্যান্য পক্ষকে নোটিস জারি করেছে।
মন্দিরের দাবিতে কেন্দ্র-ASIকে নোটিস (Taj Mahal Temple)
বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়াল মামলাটিকে বিচার বিবেচনার উপযুক্ত বলে মনে করেন এবং সংবিধানের ২২৭ অনুচ্ছেদের আওতায় বিষয়টি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে বিচার করা প্রয়োজন।
মামলাকারীদের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী হরি শঙ্কর জৈন আদালতে দাবি করেন, তাজমহলের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হলে সেখানে বৈজ্ঞানিক ও শারীরিক সমীক্ষা চালানো জরুরি। তাঁর বক্তব্য, সমীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য হিন্দু ধর্মীয় প্রতীক, স্থাপত্যের নিদর্শন বা অন্য কোনও ঐতিহাসিক উপাদান রয়েছে কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হবে।
অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকার ও এএসআই-এর পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এবং আইনজীবী মনোজ কুমার সিং।
এই আইনি লড়াইয়ের সূচনা হয় ২০১৫ সালে আগ্রার একটি দেওয়ানি আদালতে। তখন মামলাকারীরা সিভিল প্রসিডিউর কোডের অর্ডার ২৬ রুল ৯ অনুযায়ী একজন অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগের আবেদন করেছিলেন, যাতে তাজমহল চত্বরে স্থানীয় পরিদর্শন করে সম্ভাব্য ধর্মীয় ও স্থাপত্যগত নিদর্শনের নথিবদ্ধ করা যায়।
তবে ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই আগ্রার সিভিল জজ (সিনিয়র ডিভিশন) প্রযুক্তিগত কারণে সেই আবেদন খারিজ করে দেন। পরে জেলা আদালতেও পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ হয়। এরপরই মামলাকারীরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন(Taj Mahal Temple)।
আরও পড়ুন: Pune Murder: পুণে দুর্গ হত্যা মামলায় নয়া মোড়: বাগদানের আগেই প্রেমিককে ‘গোপনে বিয়ে’ সিয়ার?
হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, ১০ দিনের মধ্যে নোটিস জারির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি সরকার ও এএসআই-সহ সমস্ত বিবাদীপক্ষকে পরবর্তী শুনানির আগে পাল্টা হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে(Taj Mahal Temple)। আদালত এখনও তেজো মহালয়ের দাবির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করেনি বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন।



