Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ঘিরে বিতর্কের মাঝেই শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন। হাতে লেখা ওই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তিনি ‘মৌনব্রত’ পালন করবেন এবং তারপরই সমস্ত অভিযোগের জবাব দেবেন(Ram Temple Scam)।
চম্পত রাইয়ের খোলা চিঠি (Ram Temple Scam)
চিঠিতে চম্পত রাই লেখেন, “৭ জুন ২০২৬ থেকে রাম মন্দিরের দানবাক্স গণনা নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। তাই আমি মৌনব্রত গ্রহণ করেছি।”
সম্প্রতি রাম মন্দিরে অনুদানের টাকা গণনার সময় কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সামনে আসে। এই মামলায় ইতিমধ্যেই আটজনকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তদের অনেকের জীবনযাত্রা তাদের বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
নৈতিক দায় স্বীকার করে চম্পত রাই সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দেন। সোমবার ট্রাস্ট তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে। এদিকে বিরোধী দলগুলি এই ঘটনায় চম্পত রাইয়ের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
চিঠিতে তিনি আরও জানান, ৬ জুলাই ট্রাস্টের বৈঠকে SIT-এর প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই রিপোর্ট গোপনীয় থাকার কথা থাকলেও তা ফাঁস হয়ে যায়। তিনি তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন এবং ইতিমধ্যেই SIT তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দান গণনার সময় প্রায় ৭০টি ঘটনায় কর্মীদের নোটের বান্ডিল ও নগদ অর্থ লুকিয়ে রাখতে দেখা গেছে সিসিটিভি ফুটেজে। তদন্তকারীদের মতে, নির্ধারিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে কার্যকর না হওয়ায় এই অনিয়ম সম্ভব হয়েছে(Ram Temple Scam)।
চিঠির শেষে চম্পত রাই বলেন, “আমার ৪৫ বছরের প্রচারক জীবন খোলা বইয়ের মতো। সত্য একদিন অবশ্যই সামনে আসবে।” বর্তমানে ট্রাস্টের অন্তর্বর্তীকালীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কৃষ্ণ মোহনকে নিয়োগ করা হয়েছে(Ram Temple Scam)। পাশাপাশি নতুন সিইও নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটিও গঠন করা হয়েছে।



