Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিং ও ঠান্ডা মাথার ব্যাটিং ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। চূড়ান্ত ফয়সালা শনিবার, সিরিজের শেষ ম্যাচে (Pak vs SA)।
দুরন্ত সেঞ্চুরি ডি ককের (Pak vs SA)
একেই বোধয় বলে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। অবসর ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন কুইন্টন ডি কক। তাঁর অপরাজিত ১২৩ রানে ভর করে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে পাকিস্তানকে (Pakistan) ৮ উইকেটে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)। তিন ম্যাচের সিরিজ এখন ১–১ সমতায় (Pak vs SA)।
২৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪০.১ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। হাতে তখনও বাকি প্রায় ১০ ওভার। প্রথম ম্যাচে হারের পর এদিন ব্যাট ও বল দুই ক্ষেত্রেই দাপট দেখালেন প্রোটিয়ারা। ডি কক করলেন ২২ তম সেঞ্চুরি। ১১৯ বলে সাজানো তার ১২৩ রানের ইনিংস। যার মধ্যে রয়েছে ৭টা ছয় ৮টা চার। এরপর ব্যাট হাতে চমক দেন টনি ডি জরজি। বাঁ-হাতি এই ব্যাটার ৭৬ রান করেন ৬৩ বলে। পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে কেউই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারেননি। মোট আটজন বোলার ব্যবহার করেও উইকেট তুলতে ব্যর্থ বাবর আজমরা (Babar Azam)।

টসে জিতে ব্যাট করতে নাম পাকিস্তান। ৯ উইকেট পাকিস্তান তোলে ২৬৯ রান। যা শুরুতে অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল। কারণ শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি পাকিস্তান দলের। পাঁচ ওভারের মধ্যে তিন উইকেট পড়ে যায় পাকিস্তান দলের। স্কোর সেই সময় ২২। দক্ষিণ আফ্রিকার আন্দ্রে বার্গার (Nandre Burger) ৪ উইকেট তুলে নেন। তিনিই ফেরান ফখর জামান (Fakhar Zaman), বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ানকে (Mohammad Rizwan)। কাবা পিটার (Nqaba Peter) নেন ৩ উইকেট।
আরও পড়ুন: Jahanara Alam: বাংলাদেশের পেসার জাহানারা আলমের অভিযোগে স্তব্ধ ক্রিকেট বিশ্ব
পাকিস্তানের হয়ে সাইম আযুব (Saim Ayub) করেন ৫৩, সলমন আলি আঘা ৬৯ এবং নওয়াজ শেষ দিকে কেরিয়ার-সেরা ৫৯। কিন্তু তাঁদের কেউই ইনিংসে গতি আনতে পারেন না। স্ট্রাইক রেট ছিল ৯০-এর নিচে। তবু প্রথমে তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় দল। সেখান থেকে কিছুটা হলেও কিছুটা লড়াই করার জায়গায় পৌঁছায় দল। কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেনি পাকিস্তান। সিরিজের নির্ণায়ক ম্যাচ হবে শনিবার (Pak vs SA)।


