Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লিতে লালকেল্লা বিস্ফোরণের ঘটনায় (Bomb Threat) আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই আবারও বোমা হুমকিতে কেঁপে উঠল রাজধানী। ঘটনার রেশ এক সপ্তাহও কাটেনি, এর মধ্যেই মঙ্গলবার সকালে ফের একাধিক জায়গায় বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দিন শুরু হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। দ্রুত পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড, শুরু হয় তল্লাশি, খালি করে দেওয়া হয় আদালত চত্বর। একই সঙ্গে আতঙ্ক ছড়ায় রাজধানীর দু’টি স্কুলেও।
চার আদালত লক্ষ্য করে হুমকি (Bomb Threat)
মঙ্গলবার সকালে ই-মেলের মাধ্যমে দিল্লির চারটি আদালত উড়িয়ে (Bomb Threat) দেওয়ার হুমকি আসে। সকালের ব্যস্ত সময়ে সক্রিয় হয় নিরাপত্তাবাহিনী। প্রথমেই ফাঁকা করে দেওয়া হয় সকেত কোর্ট ও পাতিয়ালা হাউস কোর্টের চত্বর। কর্মী, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষকে তড়িঘড়ি বাইরে বের করে আনা হয়। আপাতত নিরাপত্তার স্বার্থে আদালতের সমস্ত কার্যকলাপ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিচারকার্য শুরু হতে পারে। হুমকি ঠিক কীভাবে এবং কোন সূত্র থেকে এসেছে, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।
স্কুলেও আতঙ্কের ছায়া (Bomb Threat)
আদালতের পাশাপাশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে দ্বারকা ও প্রশান্ত বিহারের (Bomb Threat) দুটি সিআরপিএফ স্কুলেও। সকাল ৯টা নাগাদ দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমে ফোন আসে, যেখানে বলা হয়-এই দুটি স্কুলও বিস্ফোরণের নিশানায়। মুহূর্তেই এলাকাজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট জায়গায়।
আরও পড়ুন: Weather Update: কুয়াশা বাড়লেও উষ্ণ হাওয়ার দাপটে মুখ ভার নভেম্বরের!
তদন্তে নতুন মাত্রা
এদিকে একইদিনে প্রকাশ্যে আসে উমর নবির শেষ ভিডিও। গত ১০ নভেম্বর রাজধানীতে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে তার দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। সেই ঘটনার সূত্র ধরেই তদন্তে উঠে আসছে একাধিক তথ্য। নতুন পাওয়া ভিডিওতে উমরকে আত্মঘাতী হামলা নিয়ে নিজের মতামত ব্যাখ্যা করতে দেখা যায়। তিনি বলছেন, এমন হামলা নাকি ‘শহিদ হওয়ার পথ’-এক বক্তব্য যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলছে। বিস্ফোরণের আগে ঠিক কী উদ্দেশ্যে ভিডিওটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তা জানতে চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।
আতঙ্কের উৎস নিয়ে ধোঁয়াশা
মঙ্গলবারের হুমকি চিঠি বা ফোন-সবই তদন্তকে আরও কঠিন করে তুলেছে। হুমকি ঠিক কোন জায়গা থেকে আসছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, কেউ হয়তো আতঙ্ক ছড়াতেই বারবার মেইল এবং ফোন করছে। তবে কোনও আশঙ্কা এড়িয়ে যাচ্ছেন না তদন্তকারীরা। আদালত ও স্কুলের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গাকে লক্ষ্য করে হুমকি আসায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে একাধিক এলাকায়।


