Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজ আমরা কথা বলব কলকাতা শহরের এক বিশেষ (Pen Hospital) অংশ নিয়ে। কলকাতা আনন্দের শহর, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতির শহর। এখানে প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি গলি যেন অতীতের গল্প ফিসফিস করে বলে। কলেজ স্ট্রিটের বইয়ের দোকান, ট্রাম, পুরনো হলুদ ট্যাক্সি-সবই শহরের পুরনো রূপকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে ।
লিখতে খুব ভালোবাসে (Pen Hospital)
এই শহরের মানুষ লিখতে খুব (Pen Hospital) ভালোবাসে। ভালোবাসে সাহিত্য, গল্প, আরও কত কিছু। আর লেখাপ্রেমীদের জন্য এই শহরে আছে একটি ছোট্ট কিন্তু খুবই বিশেষ জায়গা-পেন হাসপাতাল। এখানে মানুষ কলম নিয়ে আসে, ঠিক যেমন রোগী ডাক্তার কাছে যায়। এই ছোট দোকানটি ৭৭ বছর ধরে কেবল কলম নয়, মানুষের স্মৃতি ও ভালোবাসার “চিকিৎসা” করে।

এস্প্ল্যানেডের-এর ব্যস্ত রাস্তায় এই দোকান (Pen Hospital)
এস্প্ল্যানেডের-এর ব্যস্ত রাস্তায় এই দোকানটা (Pen Hospital) চোখে পড়ে। দোকানটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মুহাম্মদ সামসুদ্দিন। আজ সেখানে তাঁর নাতি মুহাম্মদ ইমতিয়াজ, বা যাকে সবাই বলে পেন ডাক্তার, কলমগুলো ঠিক করেন। তিনি বলেন, “ফাউন্টেন পেন লেখা নয়, অনুভব করার জিনিস। সঠিকভাবে কাগজে নীব ধরে লিখলে আনন্দ মেলে।”
পুরনো কলম ফিরিয়ে আনতে
এখানে মানুষ আসে তাদের পুরনো কলম ফিরিয়ে আনতে। কেউ আনে দাদার বা বাবার উপহার করা কলম, কেউ আনে প্রথম যে কলম দিয়ে লিখেছিল। নতুন কলম নয়, তারা তাদের পুরনো কলম চায়। শাব্বাজ রেয়াজ বলেন, “ফাউন্টেন পেন এখন আবার জনপ্রিয় হচ্ছে। এটি শুধু লেখা নয়, স্মৃতি, ভালোবাসা, আর ধীরগতি জীবনের চিহ্ন।”

আরও পড়ুন: Womens T20 World Cup 2025: আবারও মেয়েদের বিশ্বজয়, ঘরে তুলল বিশ্বকাপ!
কলকাতার এই পেন হাসপাতাল শুধু কলম ঠিক করে না, এখানে জীবনের স্মৃতি বাঁচানো হয়। যারা লিখতে ভালোবাসে, লেখা ভালোবাসে তাদের কাছে এটা শুধু পেনের হাসপাতাল নয়, বরং লেখনীর স্মৃতি ফিরিয়ে আনার কারখানা।


