Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আমেরিকার অভিবাসন নীতি নিয়ে আবারও (Donald Trump) কঠোর অবস্থান জানালেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার সকালে তিনি নিজের সমাজ মাধ্যমে ঘোষণা করেন, তৃতীয় বিশ্বের সমস্ত দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হবে। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেননি, তবে তাঁর বক্তব্যের মূল নিশানা ছিল আফগানিস্তান।
এই ঘটনাকেই হাতিয়ার…(Donald Trump)
এই সময়েই ওয়াশিংটনের কাছে হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলিবর্ষণের (Donald Trump) ঘটনায় দুই মার্কিন ন্যাশনাল গার্ড নিহত হন। অভিযুক্ত ব্যক্তি আফগানিস্তানের নাগরিক-রহমানুল্লা লাকানওয়াল। এই ঘটনাকেই হাতিয়ার করে ট্রাম্প আবারও আফগান অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি একটি ছবি শেয়ার করেন, যেখানে হাজার হাজার মানুষকে একটি স্থানে ভিড় করে বসে থাকতে দেখা যায়। ট্রাম্পের দাবি, এরা সবাই আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আনা জনতার অংশ-যাদের নাকি কোনও রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল।
তথ্য যাচাই করা হয়নি (Donald Trump)
তিনি লেখেন, “আমাদের দেশে প্রবেশের সময় এসব মানুষের (Donald Trump) পরিচয়, উদ্দেশ্য বা নিরাপত্তাজনিত তথ্য যাচাই করা হয়নি। জো বাইডেনের ভুল সিদ্ধান্তের ফলেই আমেরিকা আজ বিপদের মুখে।” তাঁর মতে, আফগান শরণার্থীদের নির্বিচার প্রবেশই দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নড়বড়ে করেছে।

কঠোরতম অভিবাসন নীতি
এর পরের পোস্টেই ট্রাম্প ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্রকে পুনরায় “নিরাপদ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ” করতে হলে কঠোরতম অভিবাসন নীতি গ্রহণ করতে হবে। তাঁর কথায়-আমেরিকা প্রযুক্তিগতভাবে যতই এগিয়ে যাক, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন জীবনযাত্রার মানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই তাঁর পরবর্তী মেয়াদে তৃতীয় বিশ্বের কোনও দেশের নাগরিককে স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিসা দেওয়া হবে না। এমনকি বাইডেন প্রশাসনের সময়ে যত অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তা সবই সাময়িকভাবে বাতিল করা হবে।
সুবিধাগুলি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন
ট্রাম্প দাবি করেন, যারা আমেরিকার জন্য “অপ্রয়োজনীয়”, বা যারা “মার্কিন মূল্যবোধকে সম্মান করে না”-তাদের দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এই তালিকায় এমন ব্যক্তিরাও পড়তে পারেন, যারা মার্কিন নাগরিক নন অথচ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কাঠামো রক্ষা করতে হলে এই সুবিধাগুলি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: Imran Khan Death: আরও জোরালো হল ইমরান খানের মৃত্যুর জল্পনা! কী জানালেন তার ছেলে?
এদিকে, “তৃতীয় বিশ্বের দেশ” শব্দবন্ধটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে তেমন ব্যবহার করা হয় না। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় যে দেশগুলি পুঁজিবাদী বা সমাজতান্ত্রিক কোনও পক্ষেই যোগ দেয়নি, তাদের এই নামে চিহ্নিত করা হত। এখন সাধারণত অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, দারিদ্র্য অথবা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় ভোগা কিছু দেশকে অনেকে এই শ্রেণীতে ফেলেন। এর মধ্যে আফগানিস্তান ছাড়াও এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশ রয়েছে। তবে ট্রাম্প কোন কোন দেশের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে চান, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।


