Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শীতকালে গরম জলের আরাম (Geyser Using Tips) কে না চান! ঠান্ডার সকালে বা রাতে স্নানের আগে গিজার চালু করলেই স্বস্তি মেলে। কিন্তু এই আরামের মাঝেই লুকিয়ে থাকতে পারে বড় বিপদের আশঙ্কা। সামান্য অসতর্কতা বা অবহেলাই গিজারকে ভয়ংকর দুর্ঘটনার কারণ করে তুলতে পারে। বিশেষ করে শীতের মরশুমে গিজার বিস্ফোরণের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।
গিজারের ব্যবহার স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেড়ে যায় (Geyser Using Tips)
শীতকালে গিজারের ব্যবহার স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেড়ে (Geyser Using Tips) যায়। অনেকেই গরম জল ধরে রাখার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে গিজার চালু রাখেন। এর ফলে ট্যাঙ্কের ভেতরে অতিরিক্ত তাপ ও চাপ তৈরি হয়। নির্দিষ্ট সীমার বেশি চাপ জমলে গিজারের ভিতরের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং চরম পরিস্থিতিতে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তাই শীতকালে গিজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি।
ছোটখাটো অবহেলাই দায়ী (Geyser Using Tips)
বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ গিজার দুর্ঘটনার পেছনে বড় কোনও (Geyser Using Tips) কারিগরি ত্রুটি নয়, বরং ছোটখাটো অবহেলাই দায়ী। সেফটি ভালভ ঠিকমতো কাজ না করা, থার্মোস্ট্যাটের গণ্ডগোল কিংবা দীর্ঘদিন সার্ভিস না করানো-এই সব কারণ একসঙ্গে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে। যখন গিজারের জলের তাপমাত্রা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বেড়ে যায় এবং অতিরিক্ত চাপ বেরোনোর কোনও পথ থাকে না, তখন ট্যাঙ্ক ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

গিজার বসানোর স্থান
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গিজার বসানোর স্থান। অনেক বাড়িতেই বাথরুমের এমন জায়গায় গিজার লাগানো হয়, যেখানে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নেই। বন্ধ ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে গিজার চালালে তাপ ভেতরেই আটকে থাকে। গ্যাসচালিত গিজারের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও মারাত্মক হতে পারে। ঠিকমতো বায়ু চলাচল না হলে বিষাক্ত গ্যাস জমে গিয়ে শ্বাসকষ্ট বা প্রাণঘাতী পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।
বড়সড় দুর্ঘটনার কারণ
শীতকালে আরেকটি সাধারণ অভ্যাস হল স্নানের অনেক আগে থেকেই গিজার চালু করে রাখা। অনেক সময় স্নান শেষ হওয়ার পরও গিজার বন্ধ করতে ভুলে যান অনেকে। এই দীর্ঘক্ষণ চালু থাকার ফলে গিজারের ভেতরের তাপমাত্রা ও চাপ দুটোই বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে যেতে পারে, যা বড়সড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
আরও পড়ুন: Winter Hunger: শীত এলেই খিদে কেন বেড়ে যায়?
তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে গিজার ব্যবহার অনেকটাই নিরাপদ করা সম্ভব। নির্দিষ্ট সময় অন্তর গিজারের সার্ভিস করানো খুবই প্রয়োজন, যাতে সেফটি ভালভ ও থার্মোস্ট্যাট ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করা যায়। স্নানের ঠিক আগে গিজার চালু করুন এবং প্রয়োজন শেষ হলেই বন্ধ করে দিন। বাথরুমে যথেষ্ট বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। পুরনো বা ত্রুটিপূর্ণ গিজার ব্যবহার না করাই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।


