Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশি ছাত্রনেতা ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন ও চাঞ্চল্যকর মোড়। মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন(Hadi Murder)। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, তিনি বাংলাদেশে নেই, বরং দুবাইয়ে অবস্থান করছেন এবং একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে এই হত্যার জন্য দায়ী করেন।
ভিডিও বার্তায় মাসুদের অস্বীকার (Hadi Murder)
ভিডিও বার্তায় মাসুদ বলেন, “আমি ওসমান হাদিকে হত্যা করিনি। আমাকে এবং আমার পরিবারকে ফাঁসানো হচ্ছে। এই ভুলভাল খোঁজ থেকে বাঁচতেই আমি দুবাইয়ে এসেছি।” তিনি আরও দাবি করেন, হাদি জামাতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং “জামাতিরাই এর পিছনে থাকতে পারে।” মাসুদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওসমান হাদির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল কেবল ব্যবসা ও রাজনৈতিক অনুদান সংক্রান্ত, কোনো সন্ত্রাসের উদ্দেশ্য তার ছিল না।
প্রায় ২ বছর আগেই ভিসা নেওয়া হয় (Hadi Murder)
এদিকে ফয়সাল করিম মাসুদের সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসার একটি কপি সামনে এসেছে। নথি অনুযায়ী, মাসুদের কাছে পাঁচ বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ইউএই ভিসা রয়েছে। যা দীর্ঘমেয়াদি পর্যটন ক্যাটাগরিতে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ইস্যু করা হয়। অর্থাৎ, এই ভিসা হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই বছর আগেই নেওয়া হয়েছিল, যা তার বক্তব্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
পুলিশের ভিন্ন দাবি (Hadi Murder)
তবে বাংলাদেশের পুলিশ একেবারেই ভিন্ন দাবি করছে। তদন্তকারীদের মতে, গত ১২ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনার পর মাসুদ ও আরেক অভিযুক্ত আলমগির শেখ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। পুলিশের দাবি, তারা হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং সেখান থেকে স্থানীয় সহযোগীদের সহায়তায় আত্মগোপন করেন।
আরও পড়ুন: Shrimp Recipe: শীতের ভোরের অপ্রচলিত স্বাদ: আমলকি-ভাজা চিংড়ি
দাবিকে চ্যালেঞ্জ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের (Hadi Murder)
এই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। মেঘালয়ের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) জানিয়েছে, ওই সময় বাংলাদেশ থেকে মেঘালয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে বাংলাদেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। কে বা কারা এই হত্যার পেছনে রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন আরও গভীর হচ্ছে।



