Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ফের একবার বার্ষিক তথ্য বিনিময় হল(Indo Pak)। ১ জানুয়ারি, ২০২৬-এ দুই দেশ একে অপরের কাছে নিজেদের পারমাণবিক সংস্থান ও হেফাজতে থাকা বন্দিদের তালিকা আদান–প্রদান করেছে। এই প্রক্রিয়াটি টানা ৩৫ বছর ধরে চালু রয়েছে।
কূটনৈতিক চ্যানেলে তথ্য বিনিময় (Indo Pak)
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ একযোগে এই তথ্য বিনিময় সম্পন্ন করেছে। ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত এবং ১৯৯১ সাল থেকে কার্যকর হওয়া চুক্তির আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মূল লক্ষ্য, দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে আস্থা তৈরি করা এবং সংবেদনশীল পরিকাঠামো নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি বা সংঘাতের ঝুঁকি কমানো।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিনিময়
কর্তৃপক্ষের মতে, বহু রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও এই বার্ষিক তথ্য বিনিময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা হিসেবে টিকে রয়েছে। এতে দুই দেশই একে অপরের পারমাণবিক পরীক্ষা সংস্থানের অবস্থান ও অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত থাকে।
বন্দি ও মৎস্যজীবীদের তালিকা বিনিময় (Indo Pak)
পারমাণবিক তথ্যের পাশাপাশি, ২০০৮ সালের কনস্যুলার অ্যাকসেস চুক্তি অনুযায়ী বন্দি ও মৎস্যজীবীদের তালিকাও বিনিময় হয়েছে। ভারত জানিয়েছে, পাকিস্তানের হেফাজতে থাকা ৫৮ জন ভারতীয় নাগরিক ও ১৯৯ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীর তথ্য তারা পেয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানকে ভারতের পক্ষ থেকে ৩৯১ জন পাকিস্তানি নাগরিক ও ৩৩ জন পাকিস্তানি মৎস্যজীবীর তথ্য দেওয়া হয়েছে।
দ্রুত মুক্তি ও প্রত্যাবর্তনের আহ্বান (Indo Pak)
ভারত সরকার আবারও দ্রুত মুক্তি ও প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানিয়ে পাকিস্তানকে ভারতীয় বন্দিদের জন্য দ্রুত কনস্যুলার সহায়তা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেছে। নয়াদিল্লির দাবি, ২০১৪ সাল থেকে ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে হাজার হাজার ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নাগরিক দেশে ফিরতে পেরেছেন।
সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ ও করমর্দন (Indo Pak)
এই ঘটনাপ্রবাহের মাঝেই আরেকটি প্রতীকী মুহূর্ত নজর কেড়েছে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ ও করমর্দন করেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৫ সালের মে মাসের সামরিক সংঘাতের পর এটিই দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রথম সরাসরি যোগাযোগ।



