Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোটার তালিকা থেকে জ্যান্ত মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগকে (Abhishek Banerjee) কেন্দ্র করে বারুইপুরে প্রচারসভায় অভিনব প্রতিবাদ দেখালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভামঞ্চেই তৈরি করা হয় একটি বিশেষ র্যাম্প। সেই র্যাম্প থেকেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র সুরে অভিযোগ তোলেন তিনি।
অভিযোগের জবাব দিতেই এমন ব্যবস্থা (Abhishek Banerjee)
অভিষেক বলেন, সাম্প্রতিক ভোটার তালিকার খসড়ায় বহু (Abhishek Banerjee) মানুষের নাম ‘মৃত’ দেখিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের জবাব দিতেই মঞ্চে এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভাষণের মাঝেই র্যাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “অনেকে ভাবছেন এই র্যাম্পটা কেন বানানো হয়েছে। আজ এই র্যাম্পে আমি তিনজন ‘ভূত’-কে হাঁটাব। যাঁদের কমিশন মৃত বলেছে, তাঁরা আজ এখানে জ্যান্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন।”
একে একে মঞ্চে ওঠেন… (Abhishek Banerjee)
এরপর একে একে মঞ্চে ওঠেন মনিরুল ইসলাম মোল্লা, হরে কৃষ্ণ গিরি ও মায়া দাস। তাঁদের জনতার সামনে দাঁড় করিয়ে অভিষেক প্রশ্ন করেন, “এঁদের কি মৃত বলে মনে হচ্ছে? আপনারা তো দেখছেন, এঁরা জীবিত। কিন্তু কমিশন নাকি দেখতে পাচ্ছে না!” তিনি জানান, দু’জন মেটিয়াবুরুজের বাসিন্দা এবং একজন কাকদ্বীপের। এই তিনজনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ।

পরিকল্পিতভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ
অভিষেকের দাবি, এভাবে বহু জ্যান্ত মানুষের নাম পরিকল্পিতভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, “এই কারণেই র্যাম্প বানানো হয়েছে-‘মৃতদের’ হাঁটতে দেখানোর জন্য।” সভাস্থলে এই বক্তব্যের পর ব্যাপক সাড়া পড়ে যায় এবং উপস্থিত সমর্থকরা জোরে স্লোগান দিতে থাকেন।

কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে একসঙ্গে নিশানা
এরপর কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে একসঙ্গে নিশানা করেন তৃণমূল নেতা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমরা একজনের নামও কাটতে দেব না। তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বে।” পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী দিনে দল দিল্লিতে যাবে এবং ভোটের জোয়ারে অনেকেই ভেসে যাবেন।

আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: “কে কি খাবে, দিল্লির বাবারা ঠিক করবে?” আক্রমণ শানালেন অভিষেক!
সভা থেকে আগামী দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, আগামী ১৯ দিনের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মোট ২৬টি জনসভা করবেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যত হামলাই হোক না কেন, বাংলা আবার জিতবে। এই সভার মাধ্যমেই সেই লড়াইয়ের শুভসূচনা হলো বলে মন্তব্য করেন তিনি।


