Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে জনসভা (Abhishek Banerjee) থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে কার্যত প্রচারের সূচনা হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল। ভাষণে যেমন উঠে এল সাম্প্রতিক বিতর্ক, তেমনই চাকরি, সংস্কৃতি ও ভোটের অঙ্ক নিয়েও বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।
চিকেন প্যাটিস বিক্রি বিতর্ক (Abhishek Banerjee)
সভায় প্রথমেই উঠে আসে ব্রিগেডে চিকেন (Abhishek Banerjee) প্যাটিস বিক্রি ঘিরে বিতর্ক। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে চিকেন প্যাটিস বিক্রি নিয়ে যারা হামলা চালিয়েছে, তাদের আচরণ বাংলার সংস্কৃতির পরিপন্থী। তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন, ঈশ্বর সব প্রাণীর মধ্যেই বিরাজমান। তাহলে কে কী খাবে বা বিক্রি করবে, তা ঠিক করার অধিকার কারও নেই। অভিষেকের কটাক্ষ, বিজেপির কিছু লোক বাংলার সংস্কৃতিকে বারবার অপমান করছে এবং অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, ততদিন বাংলার মানুষের দিকে চোখ তুলে তাকালে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
চাকরি প্রসঙ্গে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ (Abhishek Banerjee)
এরপর চাকরি প্রসঙ্গে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন (Abhishek Banerjee) অভিষেক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যে কি একটি বিধানসভা কেন্দ্রে পাঁচ হাজার চাকরি দেওয়া হয়েছে? যদি বিজেপি তা প্রমাণ করতে পারে, তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলেও মন্তব্য করেন। এই বক্তব্যে সভাস্থলে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে জোর করতালি শোনা যায়।

নির্বাচনী লক্ষ্য নিয়েও স্পষ্ট বার্তা (Abhishek Banerjee)
২০২৬ সালের নির্বাচনী লক্ষ্য নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ২০২১ সালের তুলনায় আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোট আরও বাড়বে। অন্তত একটি আসন হলেও বেশি জয়ের লক্ষ্যের কথা জানান তিনি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই সেই অতিরিক্ত আসন আসুক-এই আবেদনও করেন দলীয় কর্মীদের কাছে। বিশেষ করে ভাঙড় কেন্দ্র জয়ের ওপর জোর দেন অভিষেক। তিনি বলেন, সেখানে জিততে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

আরও পড়ুন: Assault Attempt Incident: পরকীয়ায় মত্ত যুবক, প্যান্ট খুলেই যৌনাঙ্গে কোপ প্রেমিকার
দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই কেন প্রচার শুরু, সেই প্রশ্নের উত্তরে আবেগঘন বক্তব্য রাখেন তৃণমূল নেতা। তিনি বলেন, বড় কাজ শুরুর আগে যেমন মা-বাবার আশীর্বাদ নিতে হয়, তেমনই তাঁর জন্মভূমি কালীঘাট এবং কর্মভূমি দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এই মাটির সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িয়ে রয়েছে বলেই এখান থেকেই লড়াই শুরু করলেন।


