Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছাব্বিশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলার আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের (ECI)। সোমবার দিল্লিতে কমিশনের সদর দফতরে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, যা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
দিল্লিতে মেগা বৈঠক (ECI)
আগামী বিধানসভা নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, তার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করতেই এই বৈঠকের আয়োজন বলেই খবর (ECI)। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। উপস্থিত থাকবেন কমিশনের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকরা। রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করতে ইতিমধ্যেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ কুমার আগরওয়াল। পাশাপাশি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসারও এই বৈঠকে অংশ নেবেন।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বৈঠকে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে:
কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন: রাজ্যে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন এবং ভোটের কত দিন আগে থেকে তাদের মোতায়েন করা হবে, তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করা হবে (ECI)। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বাহিনীর টহলদারির রুট ম্যাপ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
আরও পড়ুন:Dilip Ghosh: অমিত শাহের বৈঠকের পরেই মুখ বন্ধ দিলীপ ঘোষের!
স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিতকরণ: গত নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে রাজ্যের কোন কোন জেলা বা বুথ বেশি স্পর্শকাতর, তার একটি তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। সেই অনুযায়ী নিরাপত্তার বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
নজরদারি ও রুট ম্যাপ: নির্বাচনের দিন বুথে বুথে ওয়েবকাস্টিং, মাইক্রো-অবজারভার নিয়োগ এবং বাহিনী চলাচলের রুট ম্যাপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
আগাম সক্রিয়তা ও প্রস্তুতি
সাধারণত নির্বাচনের কয়েক মাস আগে কমিশন এই ধরনের বৈঠক করে থাকে, কিন্তু ছাব্বিশের নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখন থেকেই কমিশনের এই অতি-সক্রিয়তা নজর কেড়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, এই বৈঠকে আগামী দিনে ভোট হতে চলা আরও পাঁচটি রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকদের সাথেও আলাদা করে বৈঠক করবে কমিশন (ECI)।
আরও পড়ুন:Chhattisgarh: কোণঠাসা মাওবাদী! বদলে দিল নিরাপত্তা বাহিনীর কৌশল
নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য একটাই, ভোটারদের মনে নিরাপত্তার আস্থা ফেরানো এবং কোনও রকম অশান্তি ছাড়াই ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। আজকের এই বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কমিশনের (ECI) পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।


