Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিপুল লগ্নি করতে চলেছে কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক। গ্রিন সিগন্যালও পেয়েছে তারা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে (Kotak Mahindra Bank)।
বিপুল লগ্নি কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের (Kotak Mahindra Bank)
কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফে সম্মতি পেয়েছে এইউ স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের আংশিক অংশীদারিত্ব কেনার। বৃহস্পতিবার স্টক এক্সচেঞ্জে এই কথা জানানো হয়েছে এইউ স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে। তাদের পক্ষ জানানো হয়েছে কোটাক মাহিন্দ্রা তাদের ৯.৯৯ শতাংশ স্টেক নেবে (Kotak Mahindra Bank)।
কোটাক মাহিন্দ্রা ছাড়াও কোটাক মাহিন্দ্রা গ্রুপের অধীনে রয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড। এই গ্রুপ শেয়ার কিনবে সম্মিলিত ভাবে ৯.৯৯ শতাংশ। এর ফলে দেশের বেসরকারি ব্যাঙ্কের কাছে থাকবে এইউ স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের বড় অঙ্কের লগ্নি।
এইউ স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কোটাক ফ্লেক্সিক্যাপ ফান্ডের লগ্নি রয়েছে তাদের সংস্থায় মার্চ মাস থেকে ১.৬০ শতাংশ। ওই ফান্ডের কাছে ১ কোটি ১৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৮২৪টি শেয়ার রয়েছে এই স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের। এছাড়াও এই ব্যাঙ্কে লগ্নি রয়েছে ইচডিএফসি, নিপ্পন লাইফ, ইনভেসকো এবং ডিএসপি-র মতো সংস্থার (Kotak Mahindra Bank)।

আরও পড়ুন: Chandranath Rath: শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে গুলি করে খুন! কী বললেন সুজন চক্রবর্তী
তবে এই ঘোষণার পর এইউ স্মল ব্যাঙ্কের শেয়ার দরে বিপুল কোনও পরিবর্তন আসেনি। তবে বেড়েছে কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের শেয়ার দর। এই সংস্থার শেয়ার দর ১ শতাংশের কম বেড়ে এখন হয়েছে ৩৭৮ টাকা।
এইউ স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের ফিনানশিয়াল রিপোর্ট স্ট্রং ছিল গত অর্থবর্ষের শেষ কোয়ার্টার অর্থাৎ ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে। এই সময়ে সংস্থার নেট প্রফিটের পরিমাণ ৮৩২ কোটি টাকা। যা ৬৫ শতাংশ বেশি আগের বছরের তুলনায়। গত অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারের তুলনায় চতুর্থ কোয়ার্টারে ২৫ শতাংশ নেট প্রফিট বেড়েছে। সেই সঙ্গে এক বছর আগের তুলনায় ২৩ শতাংশ নেট ইন্টারেস্ট ইনকামও বেড়েছে (Kotak Mahindra Bank)।
(শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত কোনও মত আমাদের নেই, এই লেখাটা শুধু তথ্যের জন্য। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তাই বিনিয়োগ করার আগে মার্কেট সম্পর্কে ভাল করে জেনে নেওয়া দরকার। তাছাড়াও বিনিয়োগের আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।)


