Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যমগ্রামে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ এর (Chandranath Rath)। দুষ্কৃতীদের পর পর ছুড়া ৩ টি গুলি তার গায়ে লাগে।হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। আদতে এই চন্দ্রনাথ রথ পূর্ব মেদিনীপুরের চন্ডীপুর বিধানসভার কুলুপ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঈশ্বরপুর ৫ নং জিপির বাসিন্দা চন্দ্রনাথ রথ। মায়ের নাম হাসিরানি রথ। এয়ারফোর্স এ সার্ভিস করতেন। অবসরের পর শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক ছিলেন।

কে এই চন্দ্রনাথ রথ (Chandranath Rath)
মৃত চন্দ্রনাথ রথ দোহরিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে (Chandranath Rath)। অভিযোগ উঠেছে, এই হামলার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ থাকতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত পুলিশের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে করে চন্দ্রনাথ যাচ্ছিলেন, সেই গাড়ি লক্ষ্য করেই দুষ্কৃতীরা পথরোধ করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ঘটনায় চন্দ্রনাথ রথ গুরুতর জখম হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় গাড়ির চালকসহ আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
সুজন চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়া (Chandranath Rath)
শুভেন্দু অধিকারির আপ্ত সহায়ককে গুলি করে খুন নিয়ে সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়া, কি বললেন তিনি: “এটা খুবই দুঃখজনক। খুবই দুঃখজনক। খুবই নির্দয়নীয়। নির্দার কোন ভাষা নেই। যেভাবে একজন যুবক ছেলে, শুভেন্দু বাবুর পিয়ের মতো কাজ করতেন। চন্দ্র সম্ভবত রাম রথ। মানে এইভাবে তাকে খুন করতে হবে। একটা যুবক ছেলে এবং যখন যেখানে যেভাবে যে সময়তে ঘটছে এটার কোন চক্রান্ত পরিকল্পনা ছাড়া এটা হয় না। হঠাৎ করে একটা কোন গন্ডগোল হচ্ছিল তারপর কিছু একটা হয়ে গেল তা তো না। এটা কার্যত বোঝাই যাচ্ছে যা সবগুলি আমি সংবাদ মাধ্যমে দেখছি। পিছন থেকে follow করে point blank range থেকে কার্যত যেভাবে গুলি করা হয়েছে, এটা পরিকল্পিতভাবে চক্রান্তের মতন করেই এই খুন।”
আরও পড়ুন: Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসা বরদাস্ত নয়, কঠোর বার্তা রাজ্য পুলিশের ডিজিপি-র

খতিয়ে দেখা উচিত
“কী এবং কেন তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিত এবং অপরাধীদের অবশ্যই যথাযথভাবে শাস্তি পাওয়া উচিত। এটা কখনো হতে পারে না যে একটা ভোট হয়ে গেলেই আমরা আগেও দেখেছি তৃণমূলের রা বলে একেবারে যা খুশি করতে থাকো। এখানেও তেমন ভোটের পরে একটা বাংলাকে আরও বেশি গরম করে দেওয়া, আরও বেশি বিপর্যস্ত করা এটা কখনো হতে পারে না। যে কোন দল এটা বড় কথা নয়। একজন যুবক ছেলের সব করে পরিকল্পনা করে তাকে খুন করা হলো। তিনি শুভেন্দু বাবুর পিয়ে। ভাবা যায় না। গভীরভাবে বিবেচনা করা উচিত। খতিয়ে দেখা উচিত।”



