Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ মামলায় ছাত্রনেতা শরজিল ইমাম ও উমর খালিদকে জামিন দিতে অস্বীকার করেছে সুপ্রিম কোর্ট(Delhi)। তবে একই মামলায় অভিযুক্ত আরও পাঁচজন গুলফিশা ফাতিমা, মীরান হায়দার, শিফা-উর-রহমান, মহম্মদ সেলিম খান ও শাদাব আহমেদ কঠোর শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন।
‘জামিনের ক্ষেত্রে সবাই এক নয়’ (Delhi)
রায় দানের সময় সুপ্রিম কোর্ট জানায়, “সব অভিযুক্তের ভূমিকা এক নয়। জামিনের ক্ষেত্রে সবাইকে সমানভাবে দেখা যায় না।” আদালত আরও বলে, প্রত্যেক অভিযুক্তের অংশগ্রহণের মাত্রা আলাদা করে বিচার করা জরুরি। যদিও সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দীর্ঘ প্রাক-বিচার হেফাজতকে রাষ্ট্রকে যুক্তিসহ ব্যাখ্যা করতে হয়, তবুও শরজিল ইমাম ও উমর খালিদ এই মামলায় বিচারের বিলম্বের সুবিধা পাবেন না বলে মন্তব্য করে আদালত।
আগেই দু’জনের জামিনের আবেদন খারিজ
দিল্লি হাইকোর্ট আগেই এই দু’জনের জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে যান। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ইউএপিএ (বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।
ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা (Delhi)
২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) ও এনআরসি-বিরোধী আন্দোলনের মধ্যেই উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকদিন ধরে চলা ওই হিংসায় ৫০ জনের বেশি মানুষ, যাদের অধিকাংশই মুসলিম, নিহত হন এবং ৭০০-র বেশি আহত হন।
‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে’-র অভিযোগ (Delhi)
ঘটনায় ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে উমর খালিদ, শরজিল ইমাম ও প্রাক্তন আম আদমি পার্টি কাউন্সিলর তাহির হুসেন-সহ মোট ২০ জনকে অভিযুক্ত করে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ বারবার জানিয়েছে, এটি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ ছিল না, বরং রাষ্ট্রকে অস্থির করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত ‘প্যান-ইন্ডিয়া’ ষড়যন্ত্র।
আরও পড়ুন: TMC Leader: তৃণমূল নেতার টেবিলে টাকার পাহাড়! নিমেষে ভাইরাল ভিডিও!
‘ফাঁসাতে প্রমাণ সাজানো হয়েছে’(Delhi)
এর আগে উমর খালিদ এই মামলার এফআইআর-কে ‘মজার বিষয়’ বলে কটাক্ষ করেন এবং দাবি করেন, তাঁকে ফাঁসাতে প্রমাণ সাজানো হয়েছে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, আগে টার্গেট ঠিক করে পরে প্রমাণ তৈরি করা হয়েছে।



