Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চাঁদ অভিযানের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখেছে নাসার আর্টেমিস II মিশন। ১০ দিনের এই অভিযানে চার মহাকাশচারী মানবসভ্যতাকে মহাকাশে আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে আরও দূরে নিয়ে গিয়েছেন। শুধু প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, এই মিশন ভবিষ্যতের মহাকাশ বসতির স্বপ্নকেও বাস্তবের কাছাকাছি এনেছে(Artemis II)।
মহাকাশে দীর্ঘমেয়াদি বসতি গড়াই লক্ষ্য (Artemis II)
অ্যাপোলো যুগে চাঁদে মানুষের পদচিহ্ন ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু আর্টেমিস কর্মসূচি সেই ধারণাকে বদলে দিয়েছে। নাসা এবার চাঁদের কক্ষপথে ‘লুনার গেটওয়ে’ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা ছেড়ে দক্ষিণ মেরুতে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরির দিকে জোর দিচ্ছে। অর্থাৎ, মহাকাশে ক্ষণিকের অভিযান নয়, দীর্ঘমেয়াদি বসতি গড়াই এখন লক্ষ্য।
মহাকাশচারীর আবেগঘন মন্তব্য
মিশনের সময় পৃথিবীকে দেখে আবেগঘন মন্তব্য করেন মহাকাশচারী ভিক্টর গ্লোভার। তাঁর কথায়, “এই বিশাল শূন্যতার মধ্যে পৃথিবীই আমাদের সুন্দর আশ্রয়।” এই মানবিক অনুভূতিই আর্টেমিসকে শুধু বৈজ্ঞানিক প্রকল্প নয়, মানবতার ভবিষ্যৎ হিসেবে তুলে ধরছে।
পৃথিবীর বাইরেও মানুষের ভবিষ্যৎ
অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট অধ্যাপক সোমক রায়চৌধুরীর মতে, আগামী শতাব্দীগুলিতে মানবসভ্যতা বহুগ্ৰহে বসবাসকারী প্রজাতিতে পরিণত হবে। তাঁর দাবি, গত পাঁচ দশকে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পেরেছেন যে পৃথিবীর বাইরেও মানুষের ভবিষ্যৎ গড়তে হবে।
বেসরকারি সংস্থাও বড় শক্তি (Artemis II)
তবে নতুন মহাকাশ যুগ আর ঠান্ডা যুদ্ধের সময়কার আমেরিকা-সোভিয়েত প্রতিযোগিতার মত নয়। এখন এই ক্ষেত্রে শুধু রাষ্ট্র নয়, স্পেসএক্স, ব্লু অরিজিনের মতো বেসরকারি সংস্থাও বড় শক্তি। ভারত, জাপান ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার মতো মধ্যম শক্তিগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে।
আরও পড়ুন: India Post Digital: ইমেলের ধাঁচে চিঠি! বড় ডিজিটাল বদলের পথে India Post
মহাকাশ অর্থনীতির বিকাশ (Artemis II)
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের মহাকাশ অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হবে। প্রতিযোগিতা থাকলেও, আগের তুলনায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতাই এখন নতুন মহাকাশ যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।



