Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গঙ্গাসাগর মেলা মানেই লাখো পুণ্যার্থীর ঢল, আর সেই সঙ্গে বাড়তি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। উত্তাল সমুদ্র, ভিড় আর অনিশ্চিত আবহাওয়ার মাঝে দুর্ঘটনার আশঙ্কা সব সময়ই থাকে। এই সব কথা মাথায় রেখেই এবছর সাগরমেলায় রাজ্য সরকারের তরফে মোতায়েন করা হচ্ছে অত্যাধুনিক রিমোট কন্ট্রোলড লাইফবয় ওয়াটার ড্রোন, যা জলরক্ষার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলেই দাবি(Gangasagar)।
অত্যাধুনিক রিমোট কন্ট্রোলড ড্রোন (Gangasagar)
এই ড্রোনের সবচেয়ে বড় শক্তি এর ১ কিলোমিটার অপারেশন রেঞ্জ। বিপদে পড়া কোনো ব্যক্তি তীর থেকে অনেক দূরে থাকলেও মুহূর্তের মধ্যে ড্রোন পাঠানো সম্ভব। মানুষের তুলনায় বহু দ্রুতগতির এই ড্রোন প্রতি সেকেন্ডে ৭ মিটার গতিতে ছুটে যেতে পারে, যা জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান কমিয়ে দেয়।
উল্টে গেলেও চিন্তা নেই
উত্তাল ঢেউয়ে উল্টে গেলেও চিন্তা নেই। এর বিশেষ অটো-রাইটিং ‘প্লাস’ ফিচার মাত্র ২ সেকেন্ডের মধ্যেই ড্রোনটিকে আবার সচল করে তোলে। ফলে খারাপ আবহাওয়াতেও উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয় না।
উদ্ধারকর্মীদের জন্য বড় সুবিধা (Gangasagar)
উদ্ধারকর্মীদের জন্য রয়েছে বড় সুবিধা রিয়েল-টাইম ১০৮০পি এইচডি ভিডিও ফিড। রিমোট কন্ট্রোলারের স্ক্রিনে লাইভ দৃশ্য দেখে সঠিকভাবে ড্রোন চালানো যায় এবং পরিস্থিতি নজরে রাখা সম্ভব হয়।
বড় দুর্ঘটনায় অত্যন্ত কার্যকর (Gangasagar)
শুধু একজন নয়, প্রয়োজনে একাধিক মানুষ বা লাইফ র্যাফটও টেনে আনতে পারে এই ড্রোন। এর ১ টন (১০০০ কেজি) টোয়িং ক্ষমতা বড় দুর্ঘটনায় অত্যন্ত কার্যকর।
আরও পড়ুন: Venezuela: গভীর রাতে গুলি, সামরিক তৎপরতা কারাকাসে: ভেনেজুয়েলা জুড়ে অভ্যুত্থানের জল্পনা
স্বয়ংক্রিয় জিপিএস ব্যবস্থা (Gangasagar)
ব্যাটারি কমে গেলে বা সিগন্যাল হারালে ড্রোন নিজেই জিপিএসের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে আসে। শক্তপোক্ত LLDPE পলিমারে তৈরি এই ড্রোনের বন্ধ প্রপেলার নকশা বিপন্ন মানুষের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। সাগর মেলায় এই প্রযুক্তির সংযোজন শুধু একটি যন্ত্র নয় এটি হাজারো প্রাণ বাঁচানোর এক নির্ভরযোগ্য আশ্বাস।



