Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সকালে ঘুম ভাঙার পর আপনার প্রথম (Phone Scrolling) অভ্যাসটা কী? চোখ খুলেই কি হাত চলে যায় মোবাইলের দিকে? ঘড়ি দেখার নাম করে শুরু হয় মেসেজ, নোটিফিকেশন, তারপর একের পর এক রিল, পোস্ট আর ভিডিও-কখন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায়, টেরই পান না। অথচ মনে পড়ে না, ঠিক কী দরকারে ফোনটা হাতে নেওয়া হয়েছিল। এই আপাত নিরীহ অভ্যাসই কিন্তু ধীরে ধীরে ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ।
তীব্র বিষণ্ণতার ঝুঁকি (Phone Scrolling)
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে, অতিরিক্ত (Phone Scrolling) স্মার্টফোন ব্যবহার এবং বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ সময় স্ক্রল করার অভ্যাস তীব্র বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে অল্পবয়সি ও তরুণদের মধ্যে। কারণ, এই বয়সেই সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্তি তুলনামূলকভাবে বেশি।

‘ডোপামিন’ নামে একটি হরমোন নিঃসৃত হয় (Phone Scrolling)
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করার সময় মস্তিষ্ক (Phone Scrolling) থেকে ‘ডোপামিন’ নামে একটি হরমোন নিঃসৃত হয়, যা সাময়িক আনন্দের অনুভূতি দেয়। কিন্তু এই আনন্দ খুব অল্প সময়ের জন্য। একটানা স্ক্রলিং চলতে থাকলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, বাড়ে অস্থিরতা ও বিরক্তি। তার সঙ্গে ধীরে ধীরে জমে ওঠে মনখারাপ ও শূন্যতার অনুভূতি।

ভার্চুয়াল দুনিয়ার সঙ্গে অতিরিক্ত সংযোগ
আরও বড় সমস্যা হল, ভার্চুয়াল দুনিয়ার সঙ্গে অতিরিক্ত সংযোগ বাস্তব জীবনের সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়। সারাদিন অনলাইনে ডুবে থাকার ফলে তরুণরা পরিবার, আত্মীয়স্বজন কিংবা বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এর ফলেই একাকিত্ব বাড়ছে, যা ডিপ্রেশনের অন্যতম প্রধান কারণ।
আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়
সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের ঝকঝকে, ‘পারফেক্ট’ জীবন দেখে অনেকেই নিজের জীবনের সঙ্গে তুলনা শুরু করেন। কারও সাফল্য, বিলাসিতা বা সুখের মুহূর্ত দেখে মনে হতে থাকে-নিজের জীবন বুঝি ততটা ভালো নয়। এই তুলনা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং ধীরে ধীরে মানসিক অবসাদের দিকে ঠেলে দেয়।
আরও পড়ুন: PM Mobile Yojna: বিনামূল্যে মোবাইল ফোন পাবেন মহিলারা, কেন্দ্রের নয়া প্রকল্প?
রাতের দিকে ফোন স্ক্রলিং আরেকটি বড় সমস্যা। ঘুমোনোর আগে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। কম ঘুম হলে মেজাজ খিটখিটে হয়, মন ভালো থাকে না এবং ডিপ্রেশনের আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সব সময় একমুখী নয়-কেউ ডিপ্রেশনের কারণে বেশি স্ক্রল করেন, আবার কেউ অতিরিক্ত স্ক্রলিং করতে করতে ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হন।


