Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত আজ এক গুরুতর স্বাস্থ্য সংকটের মুখে। একদিকে সংক্রামক রোগের দাপট পুরোপুরি কমেনি, অন্যদিকে জীবনযাপনজনিত অসংক্রামক রোগ (NCD) দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৬৫ শতাংশই হচ্ছে NCD-এর কারণে, যার শীর্ষে রয়েছে হৃদ্রোগ। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল হার্ট অ্যাটাক ও হার্ট ফেইলিওর এখন তুলনামূলক কমবয়সি, আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মানুষদেরও আঘাত করছে(Heart Attack)।
হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি একদিনে হয় না (Heart Attack)
গোরখপুরের রিজেন্সি হাসপাতালের কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. মেজর অভিনব শ্রীবাস্তব জানান, হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি একদিনে হয় না। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও উচ্চ কোলেস্টেরল বহু বছর ধরে নিঃশব্দে হৃদ্পেশিকে দুর্বল করে তোলে। তার সঙ্গে যুক্ত হয় বসে থাকা জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, মদ্যপান, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও ঘুমের অভাব।
ফেলে রাখলেই বিপদ (Heart Attack)
ডা. শ্রীবাস্তব বলেন, উচ্চ রক্তচাপ হৃদ্যন্ত্রকে বেশি জোরে কাজ করতে বাধ্য করে, ফলে পেশি মোটা হয়ে পরে দুর্বল হয়ে যায়। ডায়াবেটিস রক্তনালিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ও ধমনিতে প্লাক জমা বাড়ায়। স্থূলতা ও কোলেস্টেরল ধমনিতে ব্লকেজ তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এই সমস্যাগুলির দীর্ঘদিন চিকিৎসা না হলে বিপদ বহুগুণ বেড়ে যায়।
সব ব্যথাই গ্যাসের নয় (Heart Attack)
তিনি জানান, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, ঘাম বা দ্রুত হৃদ্স্পন্দন এই লক্ষণগুলি অনেকেই গ্যাস বা সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু তখনই অনেক সময় অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপর জোর (Heart Attack)
সমাধান হিসেবে তিনি জোর দেন নিয়মিত প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপর। বছরে একবার রক্তচাপ, রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল পরীক্ষা, ইসিজি ও ইকো জরুরি। ৩৫–৪০ বছরের পর প্রয়োজনে সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফিও করা যেতে পারে। সঠিক জীবনযাপন, নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্য, ধূমপান ত্যাগ ও সময়মতো চিকিৎসাই হৃদ্রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।



