Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রেলপথ সম্প্রসারণের একটি দীর্ঘ দিনের প্রতীক্ষিত উদ্যোগ অবশেষে বাস্তবায়িত হল (Train Service)। জয়রামবাটি থেকে হাওড়া-তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর পর্যন্ত রেলপথের কাজ শেষ হওয়ায়, পুণ্যার্থী ও পর্যটকেরা এবার নিশ্চিন্তে যাতায়াত করতে পারবেন। এই নতুন ট্রেন সেবা শুধুমাত্র যাত্রার সুবিধা নয়, বরং ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বেও সমৃদ্ধ।

সারদাদেবীর যাত্রাপথে নতুন সংযোগ (Train Service)
লোককথা অনুসারে, মা সারদা কলকাতায় যাতায়াতের জন্য বিষ্ণুপুর স্টেশন থেকে ট্রেন ধরতেন (Train Service)। কিন্তু তার আগে জয়রামবাটিতে পৌঁছাতে তাঁকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা গরুর গাড়িতে পাড়ি দিতে হতো। এই দীর্ঘ পথ এবং যাত্রার অসুবিধা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই জয়রামবাটিকে রেলপথে সংযুক্ত করার দাবি উঠেছিল।
প্রকল্পের শুরু ও ধাপ (Train Service)
২০০০-০১ অর্থবর্ষে সারদাদেবীর পবিত্র জন্মভূমি জয়রামবাটিকে রেলপথের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্পের সূচনা করেন। এরপর বিভিন্ন ধাপে প্রকল্প এগিয়ে যায়। ২০১০ সালে বিষ্ণুপুর থেকে গোকুলনগর পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ২০১২ সালে বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত রেল পরিষেবা চালু হয়। কিন্তু, ভাবাদিঘির জমিজটের কারণে পুরো প্রকল্প কিছুদিনের জন্য থমকে যায়।

আরও পড়ুন: Mumbai: মুম্বইয়ে ফের রিসর্ট রাজনীতি: বিএমসি জিততে প্রতিনিধিদের পাঁচতারা হোটেলে পাঠাল শিন্ডে শিবসেনা
শেষমেষ জয়রামবাটিতে রেল সংযোগ
গত বছরের মার্চে অবশেষে জয়রামবাটি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়। ২৭ মার্চ, পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চালিয়ে লাইনে যাত্রী চলাচলের সবুজ সংকেত দেন রেলওয়ে সেফটি কমিশনার। এরপর রবিবার প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুর থেকে এই নতুন রেলপথের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এই সংযোগের ফলে শুধুমাত্র যাত্রীদের যাতায়াত সহজ হবে না, বরং এটি সারদাদেবীর পুণ্যক্ষেত্র ও আশেপাশের পর্যটনকেন্দ্রগুলিকে আরও বেশি মানুষ এবং ধর্মযাত্রীর কাছে পৌঁছে দেবে।



