Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নতুনভাবে সাজাতে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ শুরু করেছেন। এই পরিকল্পনার মূল বিষয় হল প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অফ পিস’ যা গাজার অন্তর্বর্তী শাসন, পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা তদারক করবে(Gaza)। যুক্তরাষ্ট্রের ২০ দফা ‘কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান’-এর অংশ হিসেবে এই বোর্ড গঠনের কথা জানানো হয়েছে, যেখানে ভারতসহ একাধিক দেশকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন ট্রাম্প (Gaza)
হোয়াইট হাউসের মতে, বোর্ড অফ পিস গাজার সংঘাত-পরবর্তী ক্ষেত্রে দিকনির্দেশ, আন্তর্জাতিক অর্থ সংগ্রহ এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করবে। ট্রাম্প নিজেই এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন এবং সিদ্ধান্তে তাঁর ভেটো ক্ষমতা থাকবে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গত নভেম্বরে রেজোলিউশন ২৮০৩-এর মাধ্যমে এই কাঠামোকে অনুমোদন দেয়।
ত্রিস্তরীয় গঠনব্যবস্থার প্রস্তাব (Gaza)
তিনস্তরের গঠনব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে। শীর্ষে থাকবে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ফাউন্ডিং এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল, যেখানে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার, বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারসহ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। মাঝের স্তরে গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড, যেখানে তুরস্ক, কাতার, মিশর, ইউএই ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা থাকবেন। সর্বনিম্ন স্তরে একমাত্র প্যালেস্তিনীয় নেতৃত্বাধীন সংস্থা ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা (NCAG), যা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাসহ বেসামরিক বিভাগ চালাবে।
আরও পড়ুন: Train Service: জয়রামবাটি থেকে হাওড়া! পুণ্যার্থী ও পর্যটকেরা নিশ্চিন্তে যাতায়াত করতে পারবেন
কার স্বার্থে বোর্ড অব পিস (Gaza)
তবে সমালোচকদের মতে, শীর্ষ পর্যায়ে প্যালেস্তিনীয়দের অনুপস্থিতি এই উদ্যোগকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। এদিকে ইসরায়েল তুরস্ক ও কাতারের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় মানবিক সংকট গভীর হলেও, বোর্ড অব পিস আদৌ কার স্বার্থ রক্ষা করবে সেই প্রশ্নই এখন কেন্দ্রে।



