Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দোল পূর্ণিমা বাঙালির (Dol Yatra 2026) অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এই দিনটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেম, ভক্তি এবং আনন্দের প্রতীক হিসেবে বিশেষভাবে পালিত হয়। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, বৃন্দাবনে এই দিনেই রাধা ও কৃষ্ণ রঙের খেলায় মেতে উঠেছিলেন। সেই ঐতিহ্য আজও বহমান। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ভক্তরা পূজা, ব্রত এবং আবিরের মাধ্যমে এই পবিত্র দিন উদ্যাপন করেন।
দোল কবে? (Dol Yatra 2026)
এই বছর দোল উৎসব পড়েছে (Dol Yatra 2026) ৩ মার্চ। পূর্ণিমা তিথি শুরু হবে ২ মার্চ সন্ধ্যা ৫টা ৪২ মিনিটে এবং শেষ হবে ৩ মার্চ বিকেল ৪টা ৫৭ মিনিটে। এই সময়ের মধ্যেই পূজার্চনা করা সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়। অনেক ভক্ত এই দিনে বিশেষভাবে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার পূজা করেন এবং সংসারের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

কী করবেন? (Dol Yatra 2026)
দোলের দিন ভোরে উঠে স্নান করে পরিষ্কার পোশাক পরা শুভ বলে ধরা হয়। সম্ভব হলে পবিত্র নদীতে স্নান করা আরও মঙ্গলজনক। বাড়ি পরিষ্কার রাখা এবং দরজায় শুভ চিহ্ন আঁকারও প্রচলন রয়েছে, যা ইতিবাচক শক্তি আহ্বান করে বলে বিশ্বাস করা হয়। অনেকে এই দিনে সত্যনারায়ণ ব্রত পালন করেন এবং উপোস থেকে ভগবানের আরাধনা করেন।

পূজার সময় দেবদেবীর চরণে আবির নিবেদন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রীতি। পূজা শেষে প্রসাদ বিতরণ করলে তা শুভ ফল বয়ে আনে বলে মনে করা হয়। এই দিন নিরামিষ আহার গ্রহণ করাও শাস্ত্রসম্মত বলে বিবেচিত।
আরও পড়ুন: Rice: চালের ড্রামে পোকার রাজত্ব? কমিয়ে ফেলুন এক নিমেষে!
দোল পূর্ণিমা কেবল রঙের উৎসব নয়, এটি ভক্তি, পবিত্রতা এবং নতুন আশার প্রতীক। সঠিক নিয়ম মেনে পূজা করলে জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আসে— এমনটাই বিশ্বাস বহু মানুষের।


