Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাসি রুটিতেই হতে পারে অনেক রোগ উপশম (Leftover Roti Benefits)?
জেনে নিন বাসি রুটির উপকারিতা (Leftover Roti Benefits)
সকালবেলার জলখাবারের টেবিলে বাসি রুটি দেখলে অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নেন। বেশিরভাগ বাড়িতেই আগের রাতের শক্ত হয়ে যাওয়া রুটি শেষ পর্যন্ত ডাস্টবিনেই যায়। কিন্তু আয়ুর্বেদ এবং আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে, এই বাসি রুটিই হতে পারে শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাবার। বিশেষজ্ঞদের মতে, টাটকা গরম রুটির তুলনায় ১২–১৫ ঘণ্টা আগের রুটি অনেক ক্ষেত্রে বেশি স্বাস্থ্যকর।
‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’
গবেষণায় জানা গেছে, রুটি দীর্ঘক্ষণ ঠান্ডা অবস্থায় থাকলে তার মধ্যে থাকা শর্করা ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’-এ পরিণত হয়। এই উপাদান ধীরে হজম হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়তে দেয় না। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বাসি রুটি উপকারী হতে পারে। এটি ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
এছাড়াও বাসি রুটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মায়, যা প্রো-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে। ফলে হজমশক্তি বাড়ে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা দুধের সঙ্গে বাসি রুটি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এই সংমিশ্রণ শরীরের রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম শোষণ কমাতে সহায়তা করে (Leftover Roti Benefits)।
আরও পড়ুন: BJP Yatra: একাধিক শর্তসাপেক্ষে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের
শরীর ঠান্ডা রাখে
শুধু তাই নয়, বাসি রুটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর। বিশেষ করে গরমের সময়ে এটি শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
তবে বাসি রুটি খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। ১২–১৫ ঘণ্টার বেশি পুরনো রুটি খাওয়া উচিত নয় এবং কোনো ছত্রাক দেখা গেলে তা একেবারেই খাওয়া যাবে না। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হলে, ফেলে দেওয়া এই সাধারণ খাবারই হতে পারে শরীরের জন্য উপকারী একটি পুষ্টিকর বিকল্প (Leftover Roti Benefits)।


