Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্বিতীয় দফায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন(EC Force)। প্রথম দফার পর এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও পুলিশ কমিশনারেটে বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। দুই দফা মিলিয়ে মোট ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে মোতায়েন করা হবে।
কলকাতায় সবচেয়ে বেশি বাহিনী (EC Force)
দ্বিতীয় দফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলকাতায় সবচেয়ে বেশি ১৮ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। Kolkata-তে প্রথম দফায় ১২ কোম্পানি থাকলেও দ্বিতীয় দফায় আরও ১৮ কোম্পানি যোগ হয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৩০।
জেলাভিত্তিক দ্বিতীয় দফার মোতায়েন
দার্জিলিংয়ে ৫, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ২, কালিম্পংয়ে ১, কোচবিহারে ৬, আলিপুরদুয়ারে ২ এবং জলপাইগুড়িতে ৩ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৪ এবং রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে দ্বিতীয় দফায় কোনও বাহিনী থাকছে না।
জেলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী
মালদহে ৬, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ১২ এবং জঙ্গিপুরে ৭ কোম্পানি বাহিনী যাচ্ছে। কৃষ্ণনগরে ৭ এবং রানাঘাটে ৩ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে।
হাওড়া কমিশনারেটে ৩ এবং হাওড়া গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ৩ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। হুগলি (গ্রামীণ)-এ ১০ এবং চন্দননগর কমিশনারেটে ৩ কোম্পানি থাকবে।
নিরাপত্তায় বাহিনী মোতায়েন
উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় দ্বিতীয় দফায় বারাসতে ৫, বনগাঁয় ২, বসিরহাটে ১০ এবং ব্যারাকপুর কমিশনারেটে ১০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। বিধাননগর কমিশনারেটে থাকছে ১ কোম্পানি।
একাধিক জেলায় বাহিনী (EC Force)
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ৮, ডায়মন্ড হারবারে ৫ এবং সুন্দরবনে ৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ এবং পূর্ব বর্ধমানে ১৭ কোম্পানি বাহিনী দ্বিতীয় দফায় মোতায়েন হবে। এছাড়া এডিপিসিতে ১০, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৩, ঝাড়গ্রামে ৬, বাঁকুড়ায় ৬, পুরুলিয়ায় ১৫ এবং বীরভূমে ১৪ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Khamenei Iran: খামেনেই নিহত, ‘সারভাইভাল মোডে’ ইরান: সামনে কোন ভবিষ্যৎ?
কড়া নজরদারি এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ (EC Force)
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার এই ২৪০ কোম্পানি বাহিনী যুক্ত হওয়ার ফলে রাজ্যে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৪৮০। স্পর্শকাতর বুথে কড়া নজরদারি এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই ব্যাপক মোতায়েন।



