Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুকৃতি ভট্টাচার্য্য: বালি পাচার এবং তোলাবাজি মামলায় (Abhishek House Search) পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল জেলা সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা গ্রেফতার হতেই নতুন মোড় নিল রাজ্যের রাজনীতি। সুজয় হাজরার সূত্র ধরেই এবার পুলিশের নজরে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। এই কানেকশনেই সুমিতের খোঁজে পুলিশের একটি দল হানা দেয় অভিষেকের বাসভবনে।
পুলিশ সূত্রে খবর (Abhishek House Search)
পুলিশ সূত্রের খবর, বালি পাচার কাণ্ডে ধৃত সুজয় (Abhishek House Search) হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়ের নাম সামনে আসে। তাঁর খোঁজে এবং মামলার সূত্রে তল্লাশি চালাতেই মূলত পুলিশ সেখানে পৌঁছায়। খবর পেয়েই অভিষেকের বাড়ি পৌঁছান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।
পুরো বাড়ি সার্চ হয়েছে, দাবি অভিষেকের (Abhishek House Search)
পুলিশি অভিযানের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। “লুকিয়ে রেখেছি কি না, আমার পুরো বাড়ি সার্চ হয়েছে।”
প্রকাশ্যে সিজার লিস্ট
শনিবার ভোররাতে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে নজিরবিহীন পুলিশি অভিযান এবং গেটের তালা ভাঙার ঘটনার পর এবার সামনে এল পুলিশের অফিশিয়াল ‘সিজার লিস্ট’। আর তাতেই রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হলো এক নতুন শোরগোল!
উদ্ধার কী কী?
পুলিশের সেই অফিশিয়াল নথিতে স্পষ্ট ভাষায় হাতে লিখে দেওয়া হয়েছে- “After thorough search… Done- I prepared a ‘NIL’ search report.” অর্থাৎ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে তন্নতন্ন করে বাড়ি তল্লাশি চালিয়েও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে আপত্তিকর বা সন্দেহজনক কিছুই উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ!
তালা ভেঙে তল্লাশি, কিন্তু মিলল শূন্য!
সিজার লিস্ট থেকে কী কী বিস্ফোরক তথ্য জানা যাচ্ছে?
কোন মামলার তদন্ত? নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, এটি পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার ১৩৩/২৬ নম্বর মামলার (তারিখ: ০৫/০৬/২৬) তদন্ত। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭২, ৪৭৩, ৪০৬, ৪০৩ এবং ১২০বি ধারায় (প্রতারণা, জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের মামলা) এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।


