Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কমিশন সূত্রের খবর, হুমায়ুন কবীরের ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ নামটি নিবন্ধীকরণ করতে গিয়ে দেখা যায়, রহুল আমিন নামে অন্য এক ব্যক্তি ইতিমধ্যেই এই নামে একটি দল নথিভুক্ত করে রেখেছেন। ফলে আইনি জটিলতা এড়াতে নিজের দলের নাম সংশোধনে বাধ্য হন হুমায়ুন কবীর(EC Humayun Party)।
‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (EC Humayun Party)
কমিশন সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত হুমায়ুন কবীরের দলের নতুন নাম মঞ্জুর করেছে। অনেক জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দলের আগের নামের সঙ্গে স্রেফ একটি শব্দ জুড়ে দিয়েছেন তিনি। তার দলের নতুন নাম এখন ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (AJUP)। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের অধিকারের লড়াইকেই নিজের দলের মূল মন্ত্র করতে চাইছেন ভরতপুরের বিধায়ক।
নতুন নাম নিয়ে বিজ্ঞাপন
কমিশনের নিয়ম মেনে এবার সংবাদপত্রে এই নতুন নাম নিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে হবে হুমায়ুনকে। যদি অন্য কারও কোনো আপত্তি না থাকে, তবেই মিলবে স্থায়ী স্বীকৃতি। আর তারপরই শুরু হবে প্রতীকের জন্য আবেদন।
বিড়ম্বনায় হুমায়ুন শিবির
তবে নামের এই রদবদল হুমায়ুন শিবিরের জন্য কিছুটা বিড়ম্বনারও বটে। কারণ, গত দু-আড়াই মাস ধরে রাজ্যজুড়ে ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ নামে যে হাজার হাজার পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছিল, তা এখন রাতারাতি বদলে ফেলতে হবে। নতুন নামে ফের জনমানসে পৌঁছতে কতটা সফল হন হুমায়ুন কবীর, এখন সেটাই দেখার।
বদলে ফেলতে হল নাম
তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর থেকেই জল্পনা ছিল তুঙ্গে। গত ডিসেম্বরে নিজের নতুন দল গঠনের কথা ঘোষণা করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কিন্তু ভোটের মুখে এক নাটকীয় মোড়, যে নাম নিয়ে তিনি ময়দানে নেমেছিলেন, সেই নামই বদলে ফেলতে হল তাকে।
ধাক্কা খেল বিধায়কের পছন্দের নাম (EC Humayun Party)
২২ ডিসেম্বর বেলডাঙার সভা থেকে ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ বা JUP গঠনের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। কোমর বেঁধে নেমে পড়েছিলেন প্রচারে। জেলায় জেলায় পড়েছিল ফেস্টুন, ব্যানার। তবে সমস্ত ব্যানার-পোস্টার এখন অতীত হতে চলেছে। কারণ, নির্বাচন কমিশনের চৌকাঠে গিয়ে ধাক্কা খেল বিধায়কের পছন্দের নাম।
আরও পড়ুন: Holi Chaos: হোলির উৎসবে বিশৃঙ্খলা রুখতে সক্রিয় লালবাজার, শহরজুড়ে গ্রেফতার ২৭৭ জন
হুমায়ূন কবীরকে Y+ নিরাপত্তা (EC Humayun Party)
তৃণমূল ছাড়ার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন হুমায়ূন। নিজে ঘোষণা করেছিলেন, তার প্রাণহানি হতে পারে। নিরাপত্তার জন্য তিনি চিঠি দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে। সেই চিঠি পেয়েই তৎপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। হুমায়ুন কবীরকে দেওয়া হল Y+ ক্যাটেগরির নিরাপত্তা।



