Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ (Pakistan Petrol News) পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে পাকিস্তানের জ্বালানি ব্যবস্থায়। দেশের বিভিন্ন প্রদেশে তৈরি হয়েছে তীব্র পেট্রোল সঙ্কট। বহু জায়গায় পেট্রোল পাম্প কার্যত খালি পড়ে রয়েছে, কোথাও আবার সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাম্প বন্ধ করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার জানিয়েছিল, দেশে মাত্র দুই সপ্তাহের মতো পেট্রোল মজুত রয়েছে। সেই ঘোষণার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত পেট্রোল মজুত করার প্রবণতা দেখা যায়।
আশঙ্কাই সত্যি (Pakistan Petrol News)
এর মধ্যেই পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম ডিলার্স (Pakistan Petrol News) অ্যাসোসিয়েশন করাচিতে এক সাংবাদিক বৈঠকে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। তাদের আশঙ্কা ছিল, সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে অনেক পাম্প বন্ধ করতে বাধ্য হবেন মালিকরা। কয়েক দিনের মধ্যেই সেই আশঙ্কা বাস্তবে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ। অনেক এলাকায় পেট্রোল পৌঁছচ্ছে না, ফলে ব্যবসা চালানোই কঠিন হয়ে উঠেছে।

ইরানের উপর নির্ভরশীলতা (Pakistan Petrol News)
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের জ্বালানি (Pakistan Petrol News) ব্যবস্থার বড় একটি অংশ ইরান থেকে আসা সস্তা তেলের উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট তেলের চাহিদার প্রায় ৩৫ শতাংশই এই উৎস থেকে পূরণ হয়। বিশেষ করে বেলুচিস্তান প্রদেশে পরিস্থিতি আরও বেশি নির্ভরশীল, যেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ জ্বালানি ইরান সীমান্ত ঘেঁষে অবৈধ পথে আসে। সিন্ধু, পাঞ্জাব এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার বহু এলাকাও একই উৎসের উপর নির্ভর করে।
সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত
বর্তমানে পাকিস্তানে পেট্রোলের সরকারি দাম প্রতি লিটার প্রায় ২৬৬ টাকা, সেখানে ইরান থেকে আসা তেল অনেক সস্তা হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় এর চাহিদা বেশি। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহণে সমস্যা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।

আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: ‘মানুষই তৃণমূলের শক্তি’, ধর্নামঞ্চ থেকে বার্তা অভিষেকের, বাঁধলেন নতুন স্লোগান!
বিপর্যস্ত বেলুচিস্তান
এর ফলে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বেলুচিস্তানে, যেখানে অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প প্রায় খালি। অন্য প্রদেশগুলিতেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চাহিদা এত বেশি যে এক লিটার পেট্রোলের দাম ৩০০ টাকারও বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এই জ্বালানি সঙ্কট আরও গভীর হতে পারে।


