Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কথাতেই আছে সব হিরে কোহিনূর হয়না (Kohinoor Hira)। এই হিরে এক এবং অনন্য। কোহিনূর একসময় ভারতীয় রাজাদের গৌরব ও ঐশ্বর্যের প্রতীক ছিল। ১৮৪৯ সালে পাঞ্জাব দখলের পর লাহোর চুক্তির মাধ্যমে এই মূল্যবান হিরেটি ব্রিটিশদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হন তৎকালীন শাসকরা। কোহিনূর ১০৬ ক্যারেটের একটি হিরে। একসময় এটি বিশ্বের বৃহত্তম হিরে ছিল। বর্তমানে এটি ব্রিটিশ রাজপরিবারের হাতে রয়েছে এবং রাজকীয় অলঙ্কারের একটি অংশ এই দুর্মূল্য হিরে।
কোহিনূরের ইতিহাস (Kohinoor Hira)
কিংবদন্তী অনুসারে, এই হিরের বয়স ৫০০০ বছরের বেশি (Kohinoor Hira) এবং সংস্কৃত লিপিতে এটিকে শ্যামন্তক মণি নামে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৫২৬ সালে প্রথম এমন নথি পাওয়া যায় যা কোহিনূরের অস্তিত্বের প্রমাণ দেয়। এই সময় এই হিরে বাবরের অধিকৃত সম্পত্তি ছিল। বাবার উল্লেখ করেছিলেন যে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে গোয়ালিয়রের রাজা এই হিরেটির মালিক ছিলেন।
ব্রিটিশদের কোহিনূর? (Kohinoor Hira)
ব্রিটিশদের হাতে আসার পর থেকে কোহিনূর (Kohinoor Hira) হিরেটি ব্যবহার করেছেন রানী ভিক্টোরিয়া, রানী আলেকজান্দ্রা (রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের স্ত্রী), রানী মেরি এবং রানী এলিজাবেথ। এই হিরে শুধুমাত্র ব্রিটিশ রাজপরিবারের নারী সদস্যরাই পরিধান করেন। বর্তমানে কোহিনূরটি লন্ডনের টাওয়ারে রাজকীয় অলঙ্কারের সাথে প্রদর্শিত হয়।
কোহিনূর ফেরানোর দাবি
বিশ্বজুড়ে বহুদিন ধরেই ভারতের অমূল্য ঐতিহ্য কোহিনূর হীরা ফেরানোর দাবি উঠেছে। সেই দাবিতে এবার নতুন করে সুর মিলিয়েছেন নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের আগে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি জানান, সুযোগ পেলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস-এর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলতে চান।

নতুন করে জোরাল দাবি
ভারত সরকার এবং বিভিন্ন সংগঠন বহুদিন ধরেই কোহিনূর ফেরানোর দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের বক্তব্য, ঔপনিবেশিক শাসনের সময় অন্যায়ভাবে এই হিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক অন্যায়ের সংশোধন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Sourav Ganguly: সন্ধে হলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে: সস্ত্রীক ভোট দিলেন সৌরভ!
এই প্রেক্ষাপটে নিউ ইয়র্কের মেয়রের মন্তব্য আন্তর্জাতিক স্তরে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তাঁর এই অবস্থান শুধু প্রতীকী নয়, বরং বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।


