Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ‘বাবা, তোমাকে মিস করছি’, রিঙ্কুর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে চোখে জল নেটিজেনদের (Rinku Singh)।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রিঙ্কুর পোস্ট (Rinku Singh)
ক্রিকেটের ময়দান হোক জীবন যুদ্ধ এমন অনেক সময় আসে যখন ব্যক্তিগত আবেগ এবং কর্তব্যের মধ্যে বেছে নিতে হয় একটাকে। কেনিয়া ম্যাচের আগেই বাবার প্রয়ানের সংবাদ আসে ভারতীয় ড্রেসিং রুমে। ভারতীয় শিবিরের অন্যতম কেন বিশ্ব সেরা ব্যাটার তখন ভারতের জার্সি গায়ে ২২ গজ শাসন করছেন। সেই শচীনকে ফিরে আসতে হলো দেশে। ব্যক্তিগত শোক সামলে আবার দলের সঙ্গে যোগ দিলেন। কেনিয়া ম্যাচে তাঁর করা শতরান উৎসর্গ করলেন বাবাকে। শচীনের সেই কীর্তি যা ক্রিকেট বিশ্বের কাছে নজির (Rinku Singh)।
শচীন পরবর্তীতে ভারতের অন্যতম সফল এবং সেরা ব্যাটসম্যানকেও সাক্ষী থাকতে হয়েছে এমন ঘটনার। আন্তর্জাতিক না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে এমন কর্তব্যের দৃষ্টান্ত রেখেছেন বিরাট কোহলি। রঞ্জি ম্যাচ চলাকালীন বাবার মৃত্য়ুর খবর পেয়েও ক্রিজ ছেড়ে যাননি কোহলি। দিল্লি দলকে হারের মুখ থেকে রক্ষা করেন।

সেই একই কথা মনে করিয়ে দিলেন রিঙ্কু। বিশ্বকাপের মাঝেই হয় তাঁর পিতৃবিয়োগ আর তারপরেই ফিরে আসেন বাড়িতে। কিন্তু এরপরেই আবার যোগ দেন দলের সঙ্গে। পরের অনেকগুলো ম্যাচে সুযোগ না পেলেও ফিল্ডিং করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ফিল্ডিংয়ে যে বরাবর ভরসার নাম রিঙ্কু সেটা আবারও প্রমাণ করেছেন। বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত আর তারপরেই বাবাকে নিয়ে রিঙ্কুর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, যা চোখে জল আনতে বাধ্য। সেখানে রিঙ্কু লিখেছেন, কতদিন কথা বলিনি তোমার সঙ্গে। এতদুলি দিন কীভাবে কাটিয়ে ফেললাম তোমাকে ছাড়া জানি না। তোমাকে ছাড়া আগামীদিনগুলো আমি কীভাবে কাটাব জানি না। তবে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তোমাকে চাই।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ধরনা মঞ্চেই ছবি আঁকলেন মমতা, ‘ভ্যানিশ কুমার’ বার্তায় কাকে নিশানা
অনেক কষ্ট করেছেন সংসার সামলাতে। ছেলের উত্থানের সাক্ষীও থেকেছেন রিঙ্কুর বাবা। কিন্তু ছেলের বিশ্বজয় আর দেখে যাওয়া হয়নি খানসিংয়ের। শোকসন্তপ্ত রিঙ্কু বিশ্বজয়ের পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন, ‘তুমি শিখিয়েছিলে কর্তব্য সবার আগে। তাই মাঠে আমি তোমার স্বপ্নগুলো সত্যি করার চেষ্টা করছিলাম। এখন তোমার স্বপ্নগুলো সত্যি হয়েছে। মনে হচ্ছে আমার পাশে যদি তুমি এখন থাকতে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি প্রতিটি আনন্দের মুহূর্তে তোমাকে চাই। তোমাকে খুব মিস করছি বাবা (Rinku Singh)।’


