Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রভাব (LPG Shortage) এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে ভারতের খাদ্য পরিবেশন শিল্পে। বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের তীব্র ঘাটতির জেরে মুম্বই শহরে ইতিমধ্যেই বহু হোটেল ও খাবারের দোকান বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করেছে। শিল্প সংগঠনগুলির আশঙ্কা, দ্রুত পরিস্থিতি সামাল না দেওয়া গেলে খুব শিগগিরই শহরের অর্ধেকেরও বেশি হোটেল ও রেস্তোরাঁর দরজা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
সমস্যার মুখে হোটেল (LPG Shortage)
মুম্বইয়ের প্রধান হোটেল সংগঠন (LPG Shortage) জানিয়েছে, শহরের প্রায় দশ থেকে কুড়ি শতাংশ হোটেল ইতিমধ্যেই গ্যাসের অভাবে পরিষেবা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি বিজয় শেট্টির মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাঁর বক্তব্য, এখন যে সংখ্যক হোটেল সমস্যায় পড়েছে, তা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে।
হোটেল মালিকদের দাবি (LPG Shortage)
হোটেল মালিকদের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় চলা (LPG Shortage) যুদ্ধের জেরে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় বড়সড় বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে নিয়মিতভাবে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে হোটেল সংগঠন ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। একই সঙ্গে মহারাষ্ট্র সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।
খাবারের দোকান মেনু পরিবর্তন
গ্যাস বাঁচাতে মুম্বইয়ের অনেক পরিচিত খাবারের দোকান মেনু পরিবর্তন করেছে বা রান্নার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। কিছু ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ সীমিত খাবার পরিবেশন করছে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ হয়, তারা আপাতত তুলনামূলক কম সমস্যায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: Digha: দিঘার মেরিন ড্রাইভ থেকে সরাসরি সমুদ্রভ্রমণ! পর্যটনে নতুন অধ্যায়
এই সংকট শুধু মুম্বইতেই সীমাবদ্ধ নয়। বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের হোটেল মালিকরাও একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ছাত্র, অফিসকর্মী ও হাসপাতালে থাকা রোগীদের জন্য নিয়মিত খাবার সরবরাহেও বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


