Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঋতুস্রাবের সময় (Menstrual Leave) কর্মরত মহিলা ও ছাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক ছুটি চালুর দাবি জানিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই বিষয়টিকে আইনি বাধ্যবাধকতার আওতায় আনা হলে তার অপব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে সারা দেশে ঋতুকালীন ছুটি নিয়ে কোনও অভিন্ন আইন প্রণয়ন সম্ভব নয়।
ঋতুস্রাবের সময় নির্দিষ্ট ছুটির নিয়মের আবেদন (Menstrual Leave)
আদালতে শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক ব্যক্তি (Menstrual Leave) আবেদন জানিয়েছিলেন, যাতে কর্মরত মহিলা এবং ছাত্রীদের জন্য ঋতুস্রাবের সময় নির্দিষ্ট ছুটির নিয়ম চালু করা হয়। তাঁর যুক্তি ছিল, মাসের ওই কয়েকটি দিন অনেক মহিলারই শারীরিক অসুবিধা হয়। তাই তাঁদের জন্য আলাদা ছুটির ব্যবস্থা করা উচিত। যদিও আদালত এই দাবিকে মান্যতা দিতে রাজি হয়নি।
একাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা (Menstrual Leave)
শুনানির সময় বিচারপতিরা জানান, এমন কোনও আইন তৈরি হলে তার একাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু সংস্থা আপত্তি তুলতে পারে। বাধ্যতামূলক ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু হলে অনেক প্রতিষ্ঠান মহিলাদের নিয়োগে অনীহা দেখাতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আদালত। এর ফলে পেশাগত ক্ষেত্রে মহিলাদের অগ্রগতিতে বাধা তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: Kerosene in LPG Crisis: গ্যাসের টানাপোড়েনে বিকল্প কেরোসিন, এলপিজি সংকটে সাময়িক সমাধান!
আদালত আরও জানিয়েছে, এই ধরনের আইন অনিচ্ছাকৃতভাবে মহিলাদের ‘অক্ষম’ হিসেবে তুলে ধরতে পারে এবং লিঙ্গবৈষম্যের বিতর্ককে উস্কে দিতে পারে। তবে কোনও প্রতিষ্ঠান যদি স্বেচ্ছায় তাদের কর্মীদের জন্য এই সুবিধা চালু করে, তা অবশ্যই প্রশংসনীয় বলেও মন্তব্য করেছে আদালত। সবশেষে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, এটি মূলত নীতি নির্ধারণের বিষয়। তাই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারই ভবিষ্যতে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।


