Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই পাঁচটি নতুন সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে(New Board)। এই বোর্ডগুলি গঠন করা হবে মুণ্ডা (ST), কোড়া (ST), ডোম (SC), কুম্ভকার (OBC) এবং সদগোপ (OBC) সম্প্রদায়ের জন্য। সরকারের মতে, এই সম্প্রদায়গুলি বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এক্স হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন (New Board)
নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বাংলার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিতে প্রতিটি সম্প্রদায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁদের সেই স্বকীয়তা বজায় রাখতে এ বার মুন্ডা, কোরা, ডোম, কুম্ভকার ও সদগোপ এই পাঁচটি সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক পাঁচটি ‘সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন পর্ষদ’ গঠন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই ঘোষণা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “বেঙ্গল বা বাংলার প্রাণবন্ত ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ এই প্রতিটি সম্প্রদায়। আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল তাঁদের জন্য।”
ভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ
সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই নতুন বোর্ডগুলির মূল লক্ষ্য হবে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলির ভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে রক্ষা ও সংরক্ষণ করা। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এই বোর্ডগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়াও, এই সম্প্রদায়গুলির প্রথাগত অধিকার সুরক্ষিত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তাদের সার্বিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
৫ নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ
সরকার জানিয়েছে, ২০১৩ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য একাধিক সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আরও পাঁচটি নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সমান উন্নয়ন নিশ্চিত সম্ভব (New Board)
প্রশাসনের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয়কে সম্মান জানিয়ে তাদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: LPG EB Raid: রান্নার গ্যাসের সংকট: অভিযোগ পেতেই তৎপর এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ
উন্নয়নের পথ তৈরি করা (New Board)
সরকারের মূল লক্ষ্য হল ‘মা, মাটি, মানুষ’-এর আদর্শকে সামনে রেখে এমন এক উন্নয়নের পথ তৈরি করা, যেখানে কোনও সম্প্রদায় পিছিয়ে থাকবে না। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।



