Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের একাধিক শহরে হঠাৎ করে পেট্রোল ও ডিজেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হায়দরাবাদ, আগ্রা, মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় পাম্পগুলিতে ভিড় উপচে পড়ে(Fuel Shortage)। বহু ক্ষেত্রে যানবাহনের লাইন প্রধান সড়ক পর্যন্ত পৌঁছে গিয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি করে।
লাইনে দাঁড়িয়েই দিন কাবার (Fuel Shortage)
হায়দরাবাদের এক অটোচালক জানান, ভোর ৫টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তিনি গ্রাহক হারাচ্ছেন। অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই পেট্রোল পাম্পে অস্বাভাবিক ভিড়ের কথা জানিয়েছেন। কিছু জায়গায় ‘নো স্টক’ বোর্ড পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে।
জ্বালানি ঘাটতির গুজব
এই আতঙ্কের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত ঘিরে জ্বালানি ঘাটতির গুজব। এর সঙ্গে তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) নতুন অগ্রিম পেমেন্ট নীতিও সাময়িক সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে। আগে ডিলাররা কিছুদিনের ঋণে জ্বালানি পেতেন, এখন আগাম টাকা জমা পড়ার পরেই সরবরাহ করা হচ্ছে।
দেশে জ্বালানির কোনও ঘাটতি নেই (Fuel Shortage)
তবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দেশে জ্বালানির কোনও ঘাটতি নেই। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, সব পাম্পে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক। তেল সংস্থাগুলিও একই দাবি করে মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
আতঙ্কের কেনাকাটাই আশঙ্কার কারণ (Fuel Shortage)
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের আতঙ্কজনিত কেনাকাটাই প্রকৃত সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মানুষ একসঙ্গে জ্বালানি কিনতে গেলে পাম্পে সাময়িক ঘাটতি তৈরি হয়, যা সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ায়। এতে জরুরি পরিষেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রশাসনের তরফে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে, অযথা আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করতে এবং শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভরসা রাখতে।



