Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মঙ্গলবার ভোররাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-এর বোমারু বিমান থেকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্র ইসফাহান-এ ফেলা হয়েছে শক্তিশালী “বাঙ্কার বাস্টার” বোমা (Bunker buster)। এই বোমা মূলত মাটির গভীরে থাকা সুরক্ষিত স্থাপনাগুলিকে ধ্বংস করার জন্য তৈরি। হামলার পর পরই ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা শহর। রাতের আকাশে আগুনের বিশাল গোলা ও কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী এই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত।

ট্রাম্পের নীরবতা, কিন্তু ভাইরাল ভিডিও (Bunker buster)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Truth Social-এ বিস্ফোরণের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায় একের পর এক বিস্ফোরণ, বিশাল আগুনের শিখা, রাতের আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠা, তবে আশ্চর্যের বিষয়, ভিডিও পোস্ট করলেও হামলা নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি ট্রাম্প।
কতটা বিপজ্জনক পরিস্থিতি? (Bunker buster)
ইসফাহান একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু গবেষণা ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র। এই ধরনের স্থানে হামলা হলে সবচেয়ে বড় আশঙ্কা হয় তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়া। বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি, তবে স্থানীয়ভাবে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর আশঙ্কা প্রবল, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এই ধরনের হামলা শুধু সামরিক নয়, পরিবেশগত বিপর্যয়ও ডেকে আনতে পারে।
কেন এই হামলা? (Bunker buster)
ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সংঘাত নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা চরমে পৌঁছেছে। আমেরিকা আগে ১০ দিনের সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেছিল, তেহরানকে ১৫ দফা শর্তও দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই হামলা অন্যদিকে, ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন: Sandy Saha: কী হয়েছিল সেই ৪০ মিনিটে… স্যান্ডির বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড়
কতটা ভয়ংকর এই অস্ত্র?
“বাঙ্কার বাস্টার” বা ডিপ পেনিট্রেটর বোমা সাধারণ বোমার থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। এর বৈশিষ্ট্য মাটির গভীরে প্রবেশ করে বিস্ফোরণ ঘটায়, শক্ত কংক্রিট বা পাহাড়ের নিচে থাকা ঘাঁটিও ধ্বংস করতে সক্ষম প্রায় ৫,০০০ পাউন্ড ওজনের হতে পারে গত বছর নাতানজ পরমাণু কেন্দ্রেও একই ধরনের হামলা চালানো হয়েছিল।



