Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে (Raghav Chadha Controversy) রাজ্যসভার উপনেতার পদ থেকে সরানোর পর প্রথমবার মুখ খুললেন তিনি। একটি দৃশ্যবার্তা প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সংসদে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা কি তবে অপরাধ? তাঁর কথায়, “আমি কি ভুল করেছি? সংসদে সুযোগ পেলেই সাধারণ মানুষের সমস্যা তুলে ধরি। কিন্তু সেটাই কি আমার অপরাধ বা ভুল?”
রাঘবের মুখ বন্ধের চেষ্টা! (Raghav Chadha Controversy)
তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর মুখ (Raghav Chadha Controversy) বন্ধ করার জন্য আম আদমি পার্টি রাজ্যসভার সচিবালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিস্ময় প্রকাশ করে রাঘব বলেন, তিনি তো শুধু মানুষের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েই কথা বলেন-তাহলে তাঁকে থামাতে চাওয়া হচ্ছে কেন? নিজের বক্তব্যে তিনি বিমানবন্দরে খাবারের উচ্চ মূল্য, দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থায় কর্মরত শ্রমিকদের সমস্যা, মোবাইল পরিষেবার মেয়াদ এবং মধ্যবিত্তের উপর করের চাপ-এই সব ইস্যুর কথা উল্লেখ করেছেন। তাও তার প্রতি এই ব্যবহার কেন?

আপের দলীয় অন্দরে বিভাজনের জল্পনা (Raghav Chadha Controversy)
একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, তাঁর নীরবতাকে যেন দুর্বলতা মনে না করা হয়। তিনি মানুষের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতাও জানান। উল্লেখ্য, তাঁকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে সাংসদ অশোক মিত্তলকে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দলীয় অন্দরে বিভাজনের জল্পনা জোরদার হয়েছে। বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে মতভেদ বাড়ছে। অতীতে স্বাতী মালিওয়াল এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরোধের প্রসঙ্গও টেনে আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: Meat Ban Proposal: বিজেপি শাসিত রাজ্যে নয়া নিয়ম, হরিদ্বারে নিষিদ্ধ মাংস বিক্রি!
তবে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠনের অংশ। রাঘবকে সংসদে কথা বলতে বাধা দেওয়া হয়েছে-এই অভিযোগও অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে, কেজরিওয়ালের গ্রেফতারের সময় রাঘবের অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তিনি তখন বিদেশে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানান। পরবর্তীতে কেজরিওয়াল মুক্তি পাওয়ার পরই তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। সব মিলিয়ে, রাঘব চাড্ডাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।



