Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিদেশি প্লেয়ারদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্ৰাক্তন ভারতীয় তারকা ব্যাটার (Sunil Gavaskar)।
বোর্ডকে নিয়ম কঠোর করার পরামর্শ সানির (Sunil Gavaskar)
চলতি আইপিএল-এ কমবেশি সব ফ্রাঞ্চাইজির প্রধান মাথাব্যথার কারণ বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলা। চোটের কারণে কেউ দেশে ফিরে গেছেন আবার কেউ বোর্ডের ছাড়পত্র পাচ্ছেন না। আবার নাইট শিবিরে গ্রিন ব্যাট অর্থে নামলেও বল করতে পারছেন না। এই বিদেশি ক্রিকেটারদের হেলা নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য সুনীল গাভাসকরের। তাঁদের দলের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তিনি (Sunil Gavaskar)।
চোটের কারণে মিচেল স্টার্ককে এখনও পাওয়া যায়নি ম্যাচে। বোর্ডের ছাড়পত্র পাননি পাথিরানা আর সেই কারণে এখনও তিনি যোগ দিতে পারেননি নাইট শিবিরে। অন্যদিকে নাইটদের প্রধান ভরসা ছিল ক্যামেরুন গ্রিনের উপর। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে তিনি ব্যাট করতে পারলেও কয়েকটি ম্যাচে বল করতে পারবেন না। সেই কারণেই তাঁর ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিচ্ছে। এই বিষয়ে সানি দাবি করেন বোর্ডের হস্তক্ষেপের। তাঁর মতে এবার নিয়ম আরও কঠিন হওয়া উচিত। সমর্থকরাও প্রশ্ন তুলছেন বিদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএল-এ অংশ নেওয়া ফ্রাঞ্চাইজিগুলির প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে। এর সঙ্গে বাইরের ক্রিকেট বোর্ডের ভূমিকা এবং আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। একই কথা বললেন এবার সুনীল গাভাসকর। তিনি দাবি করেন ম্যাচে চার ওভার বল করা কোনও কঠিন বিষয় নয়।

গাভাসকর বলেন, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি আগে থেকেই জানত বলাটা বড় অজুহাত নয়। আর আগে জানানোর অর্থ কি? টুর্নামেন্ট শুরুর কদিন আগে? মানছি দেশের হয়ে খেলা সবসময় অগ্রাধিকার পাবে। সেটা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের থেকে অনেক এগিয়ে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা শুধু ওয়ালেট নয়, প্লেয়ার এবং তাঁদের পরিবারের জন্য হৃদয় খুলে দেয়। তাঁদের কি পুরো দায়বদ্ধতা প্রাপ্য নয়? একটা ম্যাচে একজন বোলার মাত্র ৪ ওভার বল করতে পারে। যদি প্রাকটিসে একই ওভার কোনও বোলার বল করে, তাহলে ম্যাচে করতে কী অসুবিধা (Sunil Gavaskar)।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই মাসে ১৪টা লিগের ম্যাচে ৫৬ ওভার বল করার কথা। দল ফাইনালে উঠলে আরও দুটো বা তিনটে ম্যাচ। অর্থাৎ আরও ১২ ওভার। এখনকার প্রজন্ম ওদের ফিটনেস নিয়ে গর্ব করে। সেখানে এটা কোনও লোডই না। চার ওভার, তাও একটানা নয়। এটা কি শরীরের ওপর অত্যধিক চাপ? শরীর যদি এতই ভঙ্গুর হয়, তাহলে আরও দু’মাস বিশ্রাম নেওয়া উচিত।’
এইদিকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বোর্ড তাঁদের ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড নিয়ে সচেতন হওয়ার কথাও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে প্রাক্তন তারকা সহমত পোষণ করেন। তিনি জানান আইপিএল-এ প্লেয়ারদের চুক্তি থেকে আর্থিক লাভ হয় বিদেশি ক্রিকেট বোর্ডগুলির। বাইরের এই ক্রিকেটারদের নিতে বিপুল অঙ্কের অর্থক খরচ হয় ফ্রাঞ্চাইজিগুলির। আর সেই কারণেই তাঁদের আরও দায়বদ্ধ হতে হবে।
আরও পড়ুন: West Bengal Elections: তৃণমূলকে নির্বাচন কমিশনের কড়া হুঁশিয়ারি
সানি বলেন, ‘আইপিএল থেকে শুধু প্লেয়াররা নয়, বিদেশি বোর্ডগুলোও আর্থিক লাভ করে। ভারতীয় ফ্যানরা কি জানে বিদেশি ক্রিকেটারদের সংশ্লিষ্ট বোর্ড তাঁদের চুক্তির ১০ শতাংশ পায়? তবে তাঁদের আইপিএলে খেলার ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য বিসিসিআই না ফ্র্যাঞ্চাইজি সেই কমিশন দেয় সেটা পরিষ্কার নয়। বিশ্বের অন্য কোনও টি-টোয়েন্টি লিগে প্লেয়ারদের জন্য বোর্ডকে টাকা দেওয়া হয় না। এমনকী দ্য হান্ড্রেডও না। বাকি ছয় দলের মধ্যে চার দলের মালিক ভারতীয় (Sunil Gavaskar)।’


