Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান–ওমানের মধ্যে কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক ১০ দফা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে ইরান এমন একটি শর্ত রেখেছে, যেখানে তেহরান ও মাসকট উভয়েই প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর ট্রানজিট ফি আরোপ করতে পারবে। তবে এই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করেছে ওমান(Hormuz Strait)।
টোল বা ফি আরোপ করা হবে না (Hormuz Strait)
ওমানের পরিবহনমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের টোল বা ফি আরোপ করা হবে না। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী এই জলপথে অবাধ ও নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে ওমান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অতীতে কখনোই এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে কোনো দেশ টোল নেয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব
মাত্র ৩৪ কিলোমিটার প্রশস্ত এই প্রণালীটি পারস্য উপসাগরের প্রবেশদ্বার এবং বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন এই পথ দিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে এর উপর যে কোনো নিয়ন্ত্রণ বা বিধিনিষেধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
যুদ্ধের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিরক্ষা
ইরানের দাবি, যুদ্ধের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক ও বেসামরিক পরিকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য এই ট্রানজিট ফি ব্যবহার করা হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া সংঘাতের পর স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে এই প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করতে চায় তেহরান।
বিভিন্ন বিষয়ের উপর ফি নির্ধারণ (Hormuz Strait)
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক প্রভাবশালী ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাহাজের ধরণ, বহন করা পণ্য এবং অন্যান্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই ফি নির্ধারণ করা হবে।
আরও পড়ুন: Thailand Fine: থাইল্যান্ড বেড়াতে গেলে কোন কথা মাথায় রাখতে হবে, নাহলে বড় জরিমানায় পড়তে
কোনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি (Hormuz Strait)
ইরানের উপ-বিদেশমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের জন্য পারমিট ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে ওমানের সঙ্গে একটি প্রোটোকল তৈরির কাজ চলছে। তবে ওমান জানিয়েছে, তারা শুধু নির্বিঘ্ন নৌ-চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়েই আলোচনা করেছে, কোনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।



