Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে(US Iran)।
বৈঠকে অংশ নেবে না ইরান (US Iran)
এই সপ্তাহে পাকিস্তানে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ আটক করার ঘটনায় তেহরান বৈঠকে অংশ না নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফলে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বড় ধাক্কা খেয়েছে।
‘সমঝোতা না হলে বোমা পড়বে’
দুই দেশের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি বুধবার শেষ হওয়ার কথা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যদি সমঝোতা না হয়, তবে “বোমা পড়া শুরু হবে।”
কঠোর সমালোচনা ইরানের
ইরান এই অবস্থানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছে। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মহম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, “হুমকির আবহে আমরা কোনও আলোচনা মেনে নেব না।” তিনি আরও দাবি করেছেন, প্রয়োজনে ইরানের কাছে “নতুন কৌশল” প্রস্তুত রয়েছে, যা যুদ্ধ শুরু হলে ব্যবহার করা হবে।
হরমুজ ঘিরে উত্তেজনাই মূল কেন্দ্রবিন্দু
হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে উত্তেজনাই এখন আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল পরিবহন হয়, ফলে এখানে যে কোনও সংঘাতে বিশ্বে প্রভাব পড়তে পারে।
আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত আমেরিকা
ওয়াশিংটন জানিয়েছে, তারা আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত। মার্কিন প্রতিনিধিদলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার থাকবেন। তবে আলোচনার সময়সূচি পিছোতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।
দায় ট্রাম্পের (US Iran)
অন্যদিকে, এক ইরানি কর্মকর্তা দাবি করেছেন, দুই পক্ষই একটি সম্ভাব্য চুক্তির কাঠামো নিয়ে মোটামুটি একমত ছিল। কিন্তু ট্রাম্পের কড়া বক্তব্য ও সামরিক চাপ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
উভয় পক্ষকে সংযত থাকতে আহ্বান (US Iran)
পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরাও উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, আলোচনাকে “উইন-উইন” পরিস্থিতি হিসেবে তুলে ধরা জরুরি, যাতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোলা থাকে।



