Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্য রাজনীতির বিতর্কিত এক নাম রাজন্যা হালদার (Rajanya Haldar)। জোড়াফুলের মঞ্চ থেকে উত্থান হলেও পরে নির্দল প্রার্থী হিসেবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন জমা করেন তিনি। প্রাথমিকভাবে রাজন্যার ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত ত্রুটি ধরা পরে। তাও তিনি মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছিলেন। কিন্তু তার পরেই হল বিপত্তি।
বড়সড় পরিবর্তন (Rajanya Haldar)
পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিধানসভা নির্বাচনের (Rajanya Haldar) আগে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই পর্বে বড়সড় পরিবর্তন। জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় বাতিল হয়েছে পাঁচটি মনোনয়নপত্র। মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মনোনয়ন বাতিল (Rajanya Haldar)
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এখানেই চারটি মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন নির্দল প্রার্থী রাজন্য হালদার। এছাড়া আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ইমরান খান এবং দুই নির্দল প্রার্থী সুনীলচন্দ্র চৌরাসিয়া ও দীপিকা বাউড়ির মনোনয়নও খারিজ করা হয়েছে। অন্যদিকে, কুলটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী আস্তিক দাসের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
রাজনৈতিক চক্রান্ত?
নিজের মনোনয়ন বাতিল হওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন রাজন্যা হালদার। তাঁর অভিযোগ, মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন প্রস্তাবকদের সময়মতো উপস্থিত থাকতে না দেওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, ১০ জন প্রস্তাবকের মধ্যে কয়েকজন পথে আটকে পড়েন। পরে নতুন প্রস্তাবক নিয়ে এলেও নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় তাঁদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এর পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
প্রতিবাদে সরব
রাজন্যার আরও দাবি, একই দিনে অন্য এক প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের পরেও মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছেন। ফলে গোটা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Ice Cream Health Risks: গরম মানেই আইসক্রিম! জিভের স্বাদেই লুকিয়ে বিপদ!
জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে খবর, মোট ৯৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন, যার মধ্যে ২৯ জন নির্দল। স্ক্রুটিনির পরে পাঁচটি মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০। এখন নজর নাম প্রত্যাহারের শেষ দিনের দিকে। সেই সময়সীমা পেরোলেই প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা, যা নির্বাচনের চিত্র অনেকটাই স্পষ্ট করে দেবে।


