Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবি নিয়ে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে আসীন হন জোহরান মামদানি। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় ১০০ দিন পার করলেন মামদানি। বিশ্বের অন্যতম ধনী শহরের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে তাঁর জয় ছিল ঐতিহাসিক, আর সেই সঙ্গে ছিল বড় এক পরীক্ষাও ‘অ্যাফোর্ডেবিলিটি’ বা জীবনযাত্রার খরচ কমানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা কার্যকর করা যায়(Mamdani Mayor)।
চাইল্ড কেয়ার কর্মসূচি চালু (Mamdani Mayor)
নির্বাচনী প্রচারে তিনি নিজেকে শ্রমজীবী মানুষের কণ্ঠ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। বাড়তি ভাড়া, খাদ্যদ্রব্যের দাম এবং শিশু যত্নের ব্যয় এসব ইস্যুই তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে তিনি সার্বজনীন চাইল্ড কেয়ার কর্মসূচি চালু করেছেন। প্রাথমিকভাবে ২,০০০ নতুন ডে-কেয়ার আসন তৈরি হচ্ছে, যা নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে বড় স্বস্তি দেবে। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ে ১.২ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
কয়েক মাসে ১ লাখ গর্ত মেরামত
এছাড়া শহরের পরিকাঠামো উন্নয়নেও নজর দিয়েছেন মামদানি। মাত্র কয়েক মাসে ১ লাখ গর্ত (পটহোল) মেরামত করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তবে কঠোর শীতকালীন ঝড় মোকাবিলায় প্রশাসনের সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে।
ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর পরিকল্পনা (Mamdani Mayor)
তাঁর করনীতি নিয়ে বিতর্ক চলছে। ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে বিরোধীরা বলছে, এতে ধনীরা শহর ছাড়তে পারেন এবং কর্মসংস্থানে প্রভাব পড়তে পারে। আবার মামদানির যুক্তি শহরের ৬২ শতাংশ মানুষ মৌলিক খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, তাই পরিবর্তন জরুরি।

আরও পড়ুন: Designer Bag: ব্যাগ নাকি ভাবনা: ইউনিক ডিজাইনে বদলে যাচ্ছে ফ্যাশনের বার্তা
শক্তিশালী জনসমর্থনই হতে পারে বড় অস্ত্র (Mamdani Mayor)
রাজ্য সরকারের ওপর নির্ভরশীলতা তাঁর অনেক পরিকল্পনাকে কঠিন করে তুলছে, বিশেষ করে কর ও গণপরিবহন সংস্কারে। তবুও বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর শক্তিশালী জনসমর্থনই হতে পারে বড় অস্ত্র। ১০০ দিনের এই পথচলায় স্পষ্ট ছোট সমস্যা সমাধান থেকেই বড় আস্থার ভিত্তি গড়তে চান মামদানি। এখন দেখার, তাঁর ‘সাশ্রয়ী নিউইয়র্ক’ স্বপ্ন কতটা বাস্তব হয়।



