Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে (Dhruvastra Missile) আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে দেশ। খুব শীঘ্রই ভারতীয় সেনাবাহিনীর অস্ত্রভান্ডারে যুক্ত হতে চলেছে অত্যাধুনিক ‘ধ্রুবাস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্র। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই মিসাইলটি প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)-র অন্যতম উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।
‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ প্রযুক্তি (Dhruvastra Missile)
‘ধ্রুবাস্ত্র’ আসলে জনপ্রিয় নাগ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড (Dhruvastra Missile) মিসাইলের উন্নত সংস্করণ, যা বিশেষভাবে হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপের জন্য তৈরি। এটি তৃতীয় প্রজন্মের ‘ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট’ প্রযুক্তিতে সজ্জিত। অর্থাৎ, একবার লক্ষ্যবস্তু লক করলে এরপর আর আলাদা করে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয় না-নিজেই লক্ষ্যকে অনুসরণ করে ধ্বংস করতে সক্ষম।

নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম (Dhruvastra Missile)
এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম বড় সুবিধা হল, এটি রাতের অন্ধকার বা খারাপ আবহাওয়াতেও শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া যান শনাক্ত করতে পারে। তাপ সনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে লক্ষ্য নির্ধারণ করে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে পারে। প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত কার্যকর এই মিসাইলটির ওজন প্রায় ৪৩ কেজি এবং এটি ৮০০ মিলিমিটার পুরু ইস্পাত ভেদ করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন: Pakistan Mediation: পরমাণু ইস্যুতে অচলাবস্থা, আমেরিকা-ইরান সম্পর্ক ঘিরে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
বড় বিনিয়োগের অনুমোদন
বিশেষ করে লাদাখ বা কাশ্মীরের মতো দুর্গম ও উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে এই মিসাইল অত্যন্ত কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)-এর তৈরি ‘রুদ্র’ ও ‘প্রচণ্ড’ অ্যাটাক হেলিকপ্টার থেকেও ধ্রুবাস্ত্র নিক্ষেপ করা যাবে। সরকার ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে বড় বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। ২০০-র বেশি মিসাইল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মোট ব্যয় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। প্রতিটি মিসাইলের আনুমানিক দাম ১ কোটি টাকারও কম। সব মিলিয়ে, ‘ধ্রুবাস্ত্র’ শুধু একটি নতুন অস্ত্র নয়, বরং আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির এক বড় উদাহরণ।


