Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন। অবশেষে বিজেপির নেতা সম্রাট চৌধুরী রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন(Bihar Samrat)। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বিহারে বিজেপির কোনো নেতা মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসলেন। সূত্রের খবর, বুধবার তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে, যেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
শূন্যস্থানই এবার পূরণ হল (Bihar Samrat)
দীর্ঘদিন ধরে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড ও হরিয়ানার মতো হিন্দি বলয়ের বেশিরভাগ রাজ্যে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও বিহার ছিল ব্যতিক্রম। সেই শূন্যস্থানই এবার পূরণ হল।
দলনেতা নির্বাচিত সম্রাট চৌধুরী
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, যিনি বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, ঘোষণা করেন “সম্রাট চৌধুরীকে সর্বসম্মতভাবে বিধায়ক দলনেতা নির্বাচিত করা হয়েছে।”
মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের
এর আগে আজই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন নীতীশ কুমার, যিনি বর্তমানে রাজ্যসভার সদস্য। এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ তিনি লেখেন, “এখন নতুন সরকার বিহারের কাজ দেখবে। নতুন সরকারকে আমার পূর্ণ সহযোগিতা ও পরামর্শ থাকবে।”
কুশওয়াহা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি সম্রাট
৫৭ বছর বয়সী সম্রাট চৌধুরী কুশওয়াহা (কোয়েরি) সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, যা বিহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ওবিসি সম্প্রদায়। এই সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা প্রায় ৬-৭ শতাংশ এবং যাদবদের পর এটি অন্যতম বড় পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, নীতীশ কুমারের জেডিইউ এই সম্প্রদায় থেকেই মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছিল।
রাজনীতির বহু রঙের সাক্ষী (Bihar Samrat)
১৯৯০ সালে রাজনীতিতে থাকা চৌধুরীর রাজনৈতিক যাত্রা বেশ বৈচিত্র্যময়। তিনি লালু প্রসাদের আরজেডি থেকে শুরু করে জেডিইউ হয়ে ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন। নীতীশ কুমারও তাঁর সমৃদ্ধি যাত্রার সময় জনসমক্ষে চৌধুরীর প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত দেন।
আরও পড়ুন: CEO Toll Free: ভোটের আগে সিইও দফতরের নজরদারি: নয়া টোল ফ্রি নম্বর চালু
এবারই নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির (Bihar Samrat)
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে বেশিরভাগ সময়ই বিহারে বিজেপি জোটসঙ্গী হিসেবে ক্ষমতায় থাকলেও এবারই প্রথম তাদের নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী হল। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় জেডিইউ-র রয়েছে ৮৫টি আসন, যা বিজেপির চেয়ে মাত্র চারটি কম।



