Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার সকালে নির্ধারিত সময়েই হায়দরাবাদ থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল চারমিনার এক্সপ্রেস (Charminar Express)। যাত্রা স্বাভাবিকভাবেই চলছিল, কিন্তু তেলেঙ্গানার যাদদ্রী ভুবনগিরি জেলার আলের স্টেশনের কাছে পৌঁছতেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটনা। আচমকা ট্রেনের এস-৫ কোচ থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করে, মুহূর্তের মধ্যে তা আগুনে পরিণত হয়।

আতঙ্কে যাত্রীদের ঝাঁপ, ছড়িয়ে পড়ে হইচই (Charminar Express)
ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পেয়েই ট্রেনের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক যাত্রী প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত ট্রেন থেকেই ঝাঁপ দিতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ট্রেনে চিৎকার, কান্না এবং দৌড়াদৌড়িতে ভরে ওঠে পরিবেশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সেই সময় পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে যে কোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত।
দ্রুত পদক্ষেপে থামানো হয় ট্রেন (Charminar Express)
ঘটনাটি বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন লোকো পাইলট। ট্রেন থামতেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর দ্রুত যাত্রীদের কোচ থেকে নামিয়ে পুরো ট্রেন খালি করা হয়।

দমকল ও রেলের উদ্ধারকারী দলের অভিযান (Charminar Express)
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেলের আধিকারিকরা, উদ্ধারকারী দল এবং দমকল বাহিনী। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এস-৫ কোচটি ততক্ষণে প্রায় সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়।
বড় দুর্ঘটনা এড়ালেও আহত কয়েকজন (Charminar Express)
সৌভাগ্যবশত এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেওয়ার কারণে কয়েকজন যাত্রী সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: Minakshi Mukherjee: “আইনের শাসন রসাতলে” মীনাক্ষীর মতে ভোটেই জবাব দেবে মানুষ!
কীভাবে লাগল আগুন? শুরু তদন্ত
কী কারণে হঠাৎ করে ট্রেনের কোচে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



