Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানকে ঘিরে ১০ সপ্তাহের যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজের পদ্ধতি চালুর ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Modi WFH)। তিনি জানিয়েছেন, জ্বালানি সাশ্রয় এবং দেশের স্বার্থে করোনা পর্বে চালু হওয়া ভার্চুয়াল কাজের সংস্কৃতি আবার ফিরিয়ে আনা দরকার।
জাতীয় স্বার্থে জরুরি (Modi WFH)
রবিবার হায়দরাবাদের এক সভায় মোদি বলেন, “করোনার সময়ে আমরা ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন মিটিং ও ভিডিও কনফারেন্সের মত ব্যবস্থার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়েছিলাম। এখন সময়ের দাবি অনুযায়ী সেগুলি ফের চালু করা জাতীয় স্বার্থে জরুরি।” একই সঙ্গে তিনি বিদেশ সফর কমানো, গণপরিবহন ব্যবহার এবং কারপুলিংয়েরও পরামর্শ দেন।
অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি সরবরাহে চাপ
ভারত তার ব্যবহারের মোট জ্বালানির প্রায় ৮৫ শতাংশ আমদানি করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। ইরান সংঘাতের জেরে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ কার্যত ব্যাহত হওয়ায় অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে দেশে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।
হাইব্রিড বা রিমোট ওয়ার্ক মডেলের দিকে ঝোঁক (Modi WFH)
যদিও কেন্দ্র এখনও বাধ্যতামূলকভাবে ওয়ার্ক ফ্রম হোম ঘোষণা করেনি, তবে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর বিভিন্ন সংস্থা ও কর্পোরেট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক সংস্থা ফের হাইব্রিড বা রিমোট ওয়ার্ক মডেলের দিকে ঝুঁকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Gold Import: সোনার নেশায় চাপে ভারত! কেন কমাতে বললেন মোদি?
দিকে দিকে ওয়ার্ক ফ্রম হোম (Modi WFH)
ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশ ইতিমধ্যেই জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য আংশিক বা পূর্ণ ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করেছে। ইউরোপীয় কমিশনও নাগরিকদের কম ভ্রমণ এবং বাড়ি থেকে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে ভারতে ফের বড় পরিসরে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ সংস্কৃতি ফিরে আসতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



