Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঘরের মাঠের স্মৃতি চেন্নাইয়ের কাছে সুখের নয়। প্রথম চারের লড়াইয়ে প্রবেশ ঈশান কিষাণদের (CSK vs SRH)।
ঘরের মাঠে চেন্নাইয়ের হার (CSK vs SRH)
চেন্নাই সমর্থকদের মধ্যে অপেক্ষা যেন ক্রমেই বেড়ে চলেছে। প্রত্যেক ম্যাচের আগে তাঁদের আশা থাকে যে হয়ত এই ম্যাচে তাঁরা দেখতে পাবেন তাঁদের প্রিয় ধোনিকে। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ধোনি খেলবেন এই জল্পনা চললেও এই ম্যাচেও খেললেন না ধোনি। ধোনিকে ছাড়াই চেন্নাই মুখোমুখি হল হায়দরাবাদের (CSK vs SRH)।
ঘরের মাঠে চেন্নাই হারের সাক্ষী থাকল। মাঠে ধোনিকে দেখলেও ম্যাচ জেতার স্বাদ পেলেন না চেন্নাই সমর্থকরা। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শেষ চারে পৌঁছে গেল হায়দরাবাদ। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে গুজরাত টাইটান্সও প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলল। এখন একটি জায়গার জন্য লড়াই পাঁচ দলের।
ঘরের মাঠে গ্রুপ পর্বের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাট করতে নেমে দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকেন সঞ্জু স্যামসন। বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হলেন না তিনি। সঞ্জু যে কতটা ভয়ঙ্কর সেটা সবাই জানেন কিন্তু কামিন্স আসতেই খেলা ঘুরে যায়। ২৭ রানে তাঁকে ফিরিয়ে দেন হায়দরাবাদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স (CSK vs SRH)।

আরও পড়ুন: Norway Honour: নরওয়ের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান মোদিকে: রাজার হাত থেকে নিলেন পুরস্কার
তিনি নেমে উর্ভিল আগ্রাসী শুরু করেও সাকিব হুসেনের স্লোয়ার বলে বোল্ড হয়ে যান। তবে এই দিন অত্যন্ত বিরক্তিকর এবং হতাশাজনক ছিল ঋতুরাজের ব্যাটিং। মন্থর গতিতে তাঁর ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল স্ট্রাইক রেট বস্তুতা তিনি ভুলে গেছেন (CSK vs SRH)।
তবে তৃতীয় উইকেটে কার্তিক শর্মার (৩২) সঙ্গে তাঁর ৪২ রানের জুটি চেন্নাইয়ের পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেয়। কিন্তু আবারও ধাক্কা দেন কামিন্স। নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তুলে নেন কার্তিকের উইকেট।
সেখান থেকে চেন্নাইকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস এবং শিবম দুবে। দু’জনে পঞ্চম উইকেটে স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৫৯ রান। ১৮০ রানে শেষ হয় চেন্নাইয়ের ইনিংস।
এই দিন SRH শুরুটা ভাল করতে ব্যর্থ হয়েছে। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান হেড। অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষাণ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও অভিষেক ফেরেন ২৬ রানে।
পিচ স্লো হওয়ায় রান তুলতে সমস্যা হচ্ছিল হায়দরাবাদেরও। চারে নেমে হাইনরিখ ক্লাসেন আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করছিলেন। তাতে ফল দেয়। ঈশানের সঙ্গে তাঁর ৪১ বলে ৭৫ রানের জুটি অনেকটাই সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে যায় হায়দরাবাদ। একসময় যে পিচ কঠিন মনে হচ্ছিল পরে সেখানে সহজেই রান তুলতে থাকেন এই দুই ব্যাটার।
তবে ১৩১ রানে নূর আহমেদের বলে ক্লাসেন ফেরেন সাজঘরে। ২৬ বলে ৪৭ করে ফেরেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি চার এবং দুটি ছয়।
ক্লাসেন ফেরার পর হায়দরাবাদের রানের গতি কিছুটা মন্থর হয়েছ গিয়েছিল। এক সময় ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। তবে চালিয়ে খেলে চাপ কাটিয়ে দেন তরুণ তারকা ঈশান কিষাণ। তিনি শেষ দিকে ৭০ রানে ফিরে গেলেও বাকিরা ম্যাচ জিতিয়ে দেন (CSK vs SRH)।


