Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিয়ে তিনে শেষ করলেন ঈশান কিষাণরা (Sunrisers Hyderabad)।
হায়দরাবাদের দুরন্ত জয় (Sunrisers Hyderabad)
মুসি নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহরটি তার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, রাজকীয় স্থাপত্য এবং উন্নতমানের আইটি হাব হিসেবে জনপ্রিয় হলেও চলতি আইপিএল-এ হায়দরাবাদ পরিচিত তাণ্ডবের জন্য। এই তাণ্ডব নেমে আসছে বারবার ২২ গজে আর বিপক্ষকে পর্যদূত হতে হচ্ছে। শুক্রবার সেই হায়দরাবাদের ব্যাটারদের তাণ্ডবের কাছে হার মানতে হল বিরাট কোহলিদের (Sunrisers Hyderabad)।
তবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচ হেরেও পয়েন্ট টেবিলে কোনও পরিবর্তন হল না বেঙ্গালুরুর। প্রথম স্থানেই থাকল বেঙ্গালুরু এবং তৃতীয় স্থানে শেষ করল হায়দরাবাদ। আর এর ফলে প্রথম কোয়ালিফায়ার হারলেও বেঙ্গালুরু এবং গুজরাটের কাছে সুযোগ থাকবে আরেকটি ম্যাচ খেলার। শুক্রবারের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে দাপুটে ব্যাটিং করেন ঈশান কিষাণ, অভিষেক শর্মা এবং ক্লাসেনরা। ২০ ওভারের শেষে ২৫৫ রান হলে SRH। সেখানে বিরাট বাহিনী থিম যায় ২০০ রানে।

এই ম্যাচ ছিল দুই দলের কাছেই গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। আর এই ম্যাচের শেষে বেঙ্গালুরু, গুজরাট এবং হায়দরাবাদের পয়েন্ট ১৮। নেট রান রেটের দিক থেকে প্রথমে শেষ করল আরসিবি এবং দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল গুজরাট। ১৬৬ রান তুললেই দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত ছিল বিরাটদের আর সেখানে তাঁরা ২০০ তোলে ফলে খুব বেশি হেরফের হল না পয়েন্টের। ২৬ মে প্রথম কোয়ালিফায়ার খেলতে নামবে গুজরাটের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে হায়দরাবাদ কাদের সঙ্গে ম্যাচ খেলবেন সেটা এখনও নিশ্চিত নয়। দৌড়ে রয়েছে তিন দল যাদের মধ্যে সবথেকে বেশি সুযোগ রাজস্থানের (Sunrisers Hyderabad)।

এই দিন শুরু থেকেই হায়দরাবাদ ব্যাট করছিল কড়া মেজাজে। আগ্রাসী ক্রিকেটের অন্যতম নিদর্শন দেখলেন দর্শকরা। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে বাধা হয়ে ওঠার কথা ছিল ভুবনেশ্বর কুমার এবং জশ হেজলউডের। তবে এই দিন এই দুই বোলার পাত্তাই পেলেন না। চার চয়ের বন্যা বইতে থাকে মাঠ জুড়ে। হেড ২৬ রানে ফিরলেও অভিষেক শর্মা নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। প্রথম ওভারেই যখন ভুবিকে একটি চার এবং একটি ছয় মারেন তখনই বোঝা যায় হায়দরাবাদ আজ ধ্বংসাত্মক মেজাজেই নেমেছে।
৫৬ রানে অভিষেক শর্মা ফিরলেও রানের গতি শ্লথ হয়নি। ঈশান কিষাণ এই দিনের ম্যাচেও এক একটা বল বাউন্ডারি লাইনের বাইরে ফেলতে থাকেন। সেই গতিতে আরও এক্সট্রা মাইলেজ যোগ করেন ক্লাসেন। একের পর এক চার ছয় হজম করা যে কত কঠিন সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল বেঙ্গালুরুর বোলারদের দেখে। ঈশান কিষাণ ৭৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে আউট হন আর অন্যদিকে ক্লাসেন ৫১ রানের ইনিংস খেলেন। এরপর নীতিশ কুমার রেড্ডির অপরাজিত ২৯ রানের সুবাদে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান তোলে হায়দরাবাদ।
আরও পড়ুন: Bengal Digital Payment: ডিজিটাল পেমেন্টে এগোচ্ছে বাংলা, BHIM অ্যাপের লেনদেনে রেকর্ড বৃদ্ধি
এভারেস্ট সমান রান তাড়া করতে ভেঙ্কেটেশ আইয়ার শুরুটা ভাল করেন। তবে বিরাট কোহলি এই দিন আউট হয়ে যান ১৫ রানে। ইংল্যান্ড থেকে ফিরলেও এই ম্যাচের প্রথম একাদশে ছিলেন না ফিল সল্ট। অন্যদিকে ভেঙ্কেটেশও ফেরেন ৪৪ রানে। এরপর দেবদত্ত পডিক্কল ২১ রানে ফিরলে আরও চিন্তা বাড়ে আরসিবি-র। তবে সেখান থেকে অধিনায়ক রজত পতিদর এবং ক্রুনাল পান্ডিয়া ৮৪ রানের পার্টনারশিপ গড়লেও আস্কিং রেট ধরা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ২০০ রানে শেষ করে বেঙ্গালুরু। ৫৫ রানে ম্যাচ জিতে নেয় প্যাট কামিন্সরা (Sunrisers Hyderabad)।


